খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 15শে শ্রাবণ ১৪৩২ | ৩০ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় ভয়াবহ লোডশেডিং জনজীবনে চরম ভোগান্তি ডেকে এনেছে। দিনের পর দিন ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট হলেও মিলছে না কোনো স্থায়ী সমাধান। এতে ক্ষোভে ফুঁসছে সাধারণ মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুধু বাসাবাড়ি নয়—স্কুল, কলেজ, সরকারি ও বেসরকারি অফিস, এমনকি হাসপাতালেও বিদ্যুৎ না থাকায় চরম বিপাকে পড়েছেন শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও রোগীরা। শ্রেণিকক্ষে পাঠদান থেকে শুরু করে অফিসের গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম—সবই ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মো. আরমান আলী, সেকান্দার ভূঁইয়াসহ অনেকে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “কাপ্তাইয়ে পানি বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকলেও এখানকার মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে না। সব বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে জাতীয় গ্রিডে, অথচ আমরা ন্যূনতম সুবিধাটুকুও পাই না।”
অপর এক বাসিন্দা মো. আশিক বলেন, “দিনে অন্তত ৮-১০ বার বিদ্যুৎ যায়। গরমে শিশু ও বৃদ্ধরা অসুস্থ হয়ে পড়ছে। লেখাপড়াও ব্যাহত হচ্ছে। আমরা বহুবার অভিযোগ জানিয়েও কোনো সমাধান পাইনি।”
ব্যবসায়ীরাও ক্ষতির কথা জানিয়ে বলেন, প্রায়ই ২-৩ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। বারবার বিদ্যুৎ আসা-যাওয়ার কারণে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতিও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
কাপ্তাইয়ে বিদ্যুৎ সরবরাহের দায়িত্বে থাকা চন্দ্রঘোনা আবাসিক বিতরণ বিভাগের বিরুদ্ধে স্থানীয়দের অভিযোগ, তারা নিরবচ্ছিন্ন সেবা দিতে ব্যর্থ। এলাকাবাসীর অভিযোগ—ঝড়-বৃষ্টি ছাড়াই বিদ্যুৎ চলে যায়, আর গেলেই ঘন্টার পর ঘন্টা ফেরে না।
চন্দ্রঘোনা আবাসিক প্রকৌশলী এ কে এম শামসুল আরেফিনকে একাধিকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।
তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎ বিভাগের কয়েকজন কর্মকর্তা জানান, শুধু কাপ্তাই নয়, পাশের আরও দুটি উপজেলায় বিদ্যুৎ দিতে হয়। জনবল ও অবকাঠামোর ঘাটতি থাকায় সমস্যা হচ্ছে ঠিকই, তবে তারা পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন।
খবরওয়ালা/টিএসএন