খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 26শে কার্তিক ১৪৩২ | ১০ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় ফারুক আহমেদ, যিনি লাল ফারুক নামে পরিচিত, একজন বিএনপি নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১০ নভেম্বর) দুপুরে আশুগঞ্জ বাজারে তার নিজস্ব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে পুলিশ তাকে আটক করে।
ফারুক আহমেদ আশুগঞ্জ উপজেলা শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের সাবেক সহ-সভাপতি। বর্তমানে তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা এবং উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু আসিফ আহমেদের অনুসারী হিসেবে কাজ করছেন।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. খাইরুল আলম বলেন, “ফারুক আহমেদ বিএনপির সদস্য হিসেবে কোনো সার্টিফিকেট নেই। বরং, তিনি বিগত আমলে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বিভিন্ন সভা-সমাবেশে অংশ নিয়েছেন। গোয়েন্দা রিপোর্টের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।”
ওসি আরও বলেন, “ফারুক আহমেদকে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।”
অন্যদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপির উপদেষ্টা ও উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু আসিফ আহমেদ দাবি করেছেন, “ফারুক আহমেদ বিএনপির নিবেদিতপ্রাণ কর্মী। তিনি কখনোই দলের বাইরে ছিলেন না। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় তিনি শিক্ষার্থীদের পানি পান করিয়েছিলেন।”
তিনি অভিযোগ করেন, “ফারুক আহমেদ কিছু বিএনপি নেতার অবৈধ বালু ব্যবসা ও মামলাবাজির বিরুদ্ধে কথা বলায় একটি মহল তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তিনি দলীয় গ্রুপিংয়ের শিকার। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের পক্ষের একজন কর্মীকে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় গ্রেপ্তার করা হাস্যকর। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।”
এদিকে ওই মামলার বাদী এনসিপি নেত্রী জয়ন্তী বিশ্বাস বলেছেন, “আমার দায়ের করা মামলায় ফারুক আহমেদ নামে কাউকে আসামি করা হয়নি।”