খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 12শে শ্রাবণ ১৪৩২ | ২৭ই জুলাই ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ট্রাফিক পুলিশের বিরুদ্ধে লাগাতার হয়রানির অভিযোগ তুলে অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতিতে নেমেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিএনজিচালিত অটোরিকশার মালিক ও শ্রমিকরা। রবিবার (২৭ জুলাই) সকাল থেকে জেলার বিভিন্ন স্থানে এই কর্মবিরতি শুরু হয়েছে, যার ফলে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন।
সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মিজানুর রহমান জানান, ট্রাফিক পুলিশের ঘুষ বাণিজ্য, অযথা মামলা, গাড়ি জব্দ এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পারমিট প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির প্রতিবাদেই এই কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে প্রায় ৫২টি সিএনজি গাড়ি আটক রয়েছে বলেও জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, “ঘুষ না দিলে মামলা দিয়ে হয়রানি করা হয়। অন্যদিকে, বিআরটিএ অফিসে লাইসেন্স করতে গেলেও নানা জটিলতায় পড়তে হয়। এমনকি নতুন লাইসেন্স কার্যক্রমও স্থগিত রয়েছে।”
শ্রমিকদের দাবি, আটক সব সিএনজি নিঃশর্তভাবে ছেড়ে দিতে হবে। জেলার ভেতরে পারমিট অনুযায়ী চলাচলে বাধা দেওয়া যাবে না এবং ট্রাফিক পুলিশের ‘নির্যাতন’ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। দাবি মানা না হলে কর্মবিরতি চলমান থাকবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন নেতারা।
এর আগের দিন, শনিবার (২৬ জুলাই) শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশও করেছে সিএনজি মালিক-চালকরা।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার এহতেশামুল হক বলেন, “যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক বিভাগ কাজ করছে। যেসব গাড়ির বৈধ কাগজ নেই, সেগুলো আটক করা হচ্ছে। কাগজ দেখালে ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। মালিক-শ্রমিকরা চাইছে তাদের কোনো গাড়ি যেন আটক না করা হয়, এমনটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাছাড়া এখনও পর্যন্ত তাদের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেনি।”
খবরওয়ালা/টিএসএন