খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৩০ জুন ২০২৫
উপস্থাপক, চিকিৎসক আব্দুন নূর তুষার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করে প্রশ্ন তুলেছেন, কেউ কি মন্ত্রী হয়ে বন্দুক কেনার অর্থ কামাই করেন? সোমবার (৩০ জুন) সকালে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এমন প্রশ্নের পাশাপাশি আরও আটটি প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়েছেন।
তিনি বলেন, “এবার নতুন একটি যুক্তি এসেছে—আমি নাকি মন্ত্রী পদমর্যাদার বলে বলীয়ান হয়ে বন্দুক কিনেছি। এমনটিই লিখেছে তার ফেসবুক অ্যাডমিন।”
তুষার তার স্ট্যাটাসে নিচের ৯টি প্রশ্ন তুলে ধরেন:
১. মন্ত্রী হয়ে বন্দুক কেনার টাকা কি কামাই করেছেন?
২. ধরে নিলাম দশ মাসে দশ লাখ টাকা বেতন পেয়েছেন। এই বন্দুকের দাম কত?
৩. এই বন্দুক ব্যবহার ও রক্ষণাবেক্ষণ কবে, কোথায়, কীভাবে শিখেছেন?
৪. বন্দুক রাখার জন্য তো সিন্দুক বা ভল্ট লাগে। সেটি কিনেছেন কোথা থেকে? দাম কত?
৫. রোজ সচিবালয় বা মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই বন্দুক সঙ্গে নিয়ে যান?
৬. সারা দেশকে মবের হাতে নিরাপত্তাহীন রেখে প্রেসার সচিব দিয়ে সেই মবকে ‘প্রেসার গ্রুপে’ রূপান্তর করে নিজে বন্দুক হাতে ঘুরছেন—এটাই কি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার উপায়?
৭. সাধারণ নাগরিকদের লাইসেন্সধারী অস্ত্র জমা রাখতে বলা হলেও আপনি নিজের পদমর্যাদা দেখিয়ে অস্ত্র বহন করছেন—এটা কি বৈধ?
৮. এভাবে বন্দুক বা গুলি বহন করা কি লাইসেন্স বাতিল হওয়ার মতো অপরাধ নয়? প্রোটোকল অফিসারের হাতে গুলি তুলে দিয়েছেন কীভাবে? গুলি বহনের বৈধতা কি তার ছিল?
৯. এই অস্ত্রের প্রকৃতি ও মূল্য কত?
তুষার তার স্ট্যাটাসের শেষাংশে লেখেন, “অস্ত্র নিয়ে বিমানবন্দরের নিরাপত্তা চৌকিতে ধরা পড়া অত্যন্ত গর্হিত কাজ। তিনি এই বন্দুক পেয়েছেন পদের জোরে। কিন্তু তার আচরণ প্রমাণ করে তিনি এই বন্দুক বহনের যোগ্য নন। তিনি জানেন না, কোথায় বন্দুক নিতে হয়, আর কোথায় রেখে যেতে হয়।” তাঁর এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
খবরওয়ালা/এমএজেড