খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 2শে মাঘ ১৪৩২ | ১৫ই জানুয়ারি ২০২৬ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
থাইল্যান্ডের ব্যাংককে শুরু হয়েছে সাফ ফুটসাল নারী ও পুরুষ চ্যাম্পিয়নশিপের প্রথম আসর। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) পুরুষ বিভাগে বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে ম্যাচটি ৪-৪ গোলে ড্র হয়েছে। তবে নারী বিভাগে বাংলাদেশের মেয়েরা ভারতের বিপক্ষে শক্তিশালী প্রমাণ দিয়েছে এবং প্রতিদ্বন্দ্বী দলকে ছাড়িয়ে যায়।
বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) হুয়ামার্ক ইনডোর স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে বাংলাদেশ নারী ফুটসাল দল ভারতের বিপক্ষে ৩-১ গোলে জয় অর্জন করে। দলের জয়ের মূল নায়ক ছিলেন অধিনায়ক সাবিনা খাতুন, যিনি জোড়া গোল করে দলের লিড নিশ্চিত করেন। ম্যাচের প্রথমার্ধেই সাবিনার জোড়া গোলের কারণে বাংলাদেশ ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে ভারত অবশ্য খেলার নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারের চেষ্টা চালায় এবং কয়েকটি আক্রমণ বাংলাদেশের জালে হানার সুযোগ সৃষ্টি করে। কিন্তু বাংলাদেশের গোলরক্ষক ঝিলিক গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সেভ করে ভারতের চ্যালেঞ্জ প্রতিহত করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশের আরেকটি আক্রমণ সফল হয়। সুমাইয়া মাতসুসিমা কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল করে ব্যবধান ৩-০-এ উন্নীত করেন। ম্যাচের শেষ দিকে ভারত একটি গোল করতে সক্ষম হলেও সেটি বাংলাদেশকে পরাজিত করতে যথেষ্ট হয়নি।
এই জয়ের ফলে বাংলাদেশ নারী দল টুর্নামেন্টে আত্মবিশ্বাসী অবস্থানে এসেছে। উল্লেখযোগ্য যে, ২০১৮ সালে এই একই থাইল্যান্ডে এশিয়ান ফুটসালের বাছাই খেলেছিল বাংলাদেশ নারী দল। সাত বছর পর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আবার খেলার সুযোগ পেয়ে মেয়েরা নিজেদের দক্ষতা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে।
নিম্নে ম্যাচের মূল পরিসংখ্যান তুলে ধরা হলো:
| দল | গোল | প্রধান গোলদাতা | গোলের সময় |
|---|---|---|---|
| বাংলাদেশ | ৩ | সাবিনা খাতুন (২), সুমাইয়া মাতসুসিমা (১) | প্রথমার্ধ ও দ্বিতীয়ার্ধ |
| ভারত | ১ | অজানা | দ্বিতীয়ার্ধ |
বাংলাদেশের জয়ের কৌশল মূলত আক্রমণাত্মক খেলা এবং সুসংগঠিত প্রতিরক্ষা। অধিনায়ক সাবিনা খাতুনের নেতৃত্ব এবং গোলরক্ষক ঝিলিকের দক্ষতা ভারতের আক্রমণকে প্রতিহত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। দলের অন্যান্য খেলোয়াড়রাও সমর্থন ও দ্রুত প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে গোলরোধে অবদান রেখেছেন।
আগামী ম্যাচগুলিতে বাংলাদেশের লক্ষ্য হলো ধারাবাহিকভাবে শক্তিশালী পারফরম্যান্স বজায় রাখা এবং সাফ ফুটসাল নারী চ্যাম্পিয়নশিপে শীর্ষে থাকা নিশ্চিত করা। এই জয় দলের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে এবং আন্তর্জাতিক ফুটসাল পর্যায়ে বাংলাদেশের অবস্থান আরও দৃঢ় করেছে।