খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ জানুয়ারি ২০২৫
নিজ সংবাদ ॥ কুষ্টিয়ায় ডিবি পুলিশের অভিযানে হত্যা মামলার একজন পলাতক আসামী আটক হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে কুষ্টিয়ায় শিক্ষার্থী ও জনতা সহ শহীদ হয় নয়জন। পরে নিহতের পরিবারের সদস্যরা কুষ্টিয়া মডেল থানায় এজাহার দাখিল করেন। গত ৫আগস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের পর আওয়ামী লীগের নেতারা গাঁঢাকা দেয়। এবং এজাহার নামীয় আসামীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। তথ্য সূত্রে জানা যায়, এজাহারনামীয় আসামীদের গ্রেফতারের জন্য কুষ্টিয়া গোয়েন্দা নজরদারি শুরু করে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বুধবার (২২ জানুয়ারি) বেলা ১২ টার দিকে টার দিকে কুষ্টিয়া জেলা পুলিশ সুপার মোঃ মিজানুর রহমান এর নির্দেশে একটি চৌকষ আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ডিবি পুলিশের এস আই, জনি, এএসআই কামরুল ইসলাম, এএসআই আ, মতিন ও সঙ্গীয় ফোর্সসহএকটি চৌকষ আভিযানিক দল কুষ্টিয়ার কুমারখালী কয়া ইউনিয়নের বানিয়াপাড়ায় অভিযান পরিচালনা করেন।
উক্ত অভিযানে ইউসুফ শেখ হত্যা মামলার এজাহার নামীয় পলাতক আসামী কুষ্টিয়া কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বানিয়াপাড়া এলাকার মৃত জলিল মালিথার ছেলে মুক্তার হোসেন (৫০)কে গ্রেপ্তার করে। ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আসামিকে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কোর্টে হস্তান্তর করা হবে বলে। তিনি আরও জানান উক্ত মামলার ৩১নং আসামী মুক্তার হোসেন। উল্লেখ, গত ০৫ আগষ্ট কুষ্টিয়া জেলার সদর থানাধীন থানাপাড়া এলাকায় শিক্ষার্থীদের বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের সময় দুষ্কৃতকারীদের দেশীয় ধারালো অস্ত্রের আঘাতে চর থানাপাড়ার মৃত এদাত আলী শেখের পুত্র ইউসুফ শেখ(৬৬) নিহত হয়। উক্ত হত্যাকান্ডের প্রেক্ষিতে নিহতের মেয়ে মোছাঃ সীমা বাদী হয়ে ৭৫ জনের নাম পরিচয় উল্লেখ ও ২০থেকে ৩০জনকে অজ্ঞাত নামা করে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এদিকে মামলার প্রধান আসামী আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাবেক এমপি মাহবুবউল আলম হানিফ ও ২য় আসামী তার ছোট ভাই শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতা রহমান আতা সহ অন্যান্য আসামীরা এখন পর্যন্ত পলাতক রয়েছে।