খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানী জানিয়েছেন, নদী-নালা, খাল ও জলাধার পুনর্খনন কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী ১৬ মার্চ দিনাজপুর জেলার কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া খাল খননের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। এই খালটি প্রায় ১২.৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এবং স্থানীয় জলাবদ্ধতা নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
রোববার কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া এলাকায় খাল খননের কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি জানান, নির্বাচিত সরকার জনগণের সুবিধার্থে খাল পুনর্খননের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, “সাহাপাড়া খাল পুনর্খননের মাধ্যমে জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং খালের পানি সেচ ব্যবস্থার মাধ্যমে কৃষকের ক্ষেতে পৌঁছে যাবে। এতে ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং কৃষক উপকৃত হবেন।”
মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে অনেক খাল ও নদীর খনন বন্ধ থাকায় সেখানে পলি জমে এবং কিছু ক্ষেত্রে দোকানপাট ও বাড়িঘর খালের মধ্যে তৈরি হয়েছে। সকল বাধা দূর করার জন্য স্থানীয়দের সহযোগিতা অপরিহার্য। তিনি বলেন, “স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা এবং প্রশাসনের সমন্বয়ে খাল খনন কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে, যা দেশের খাদ্য উৎপাদন ও কৃষি উন্নয়নে সহায়ক হবে।”
খাল খননের স্বচ্ছতা ও দায়বদ্ধতার বিষয়ে তিনি বিশেষ জোর দিয়ে বলেন, “কাজের প্রতিটি ধাপ সম্পূর্ণ জনস্বার্থে পরিচালিত হবে। কোনোরকম দুর্নীতির সুযোগ দেওয়া হবে না এবং নির্বাচিত সরকার জনবান্ধব নীতি মেনে চলবে।”
মন্ত্রী এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয়দের জন্য সামাজিক ও কৃষি উপকারের পাশাপাশি পরিবেশগত গুরুত্বকেও তুলে ধরেছেন। খাল খননের ফলে পানি সঠিকভাবে প্রবাহিত হবে, জমিতে পল্যূশন কমবে এবং সামগ্রিকভাবে এলাকায় জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
| খাল/এলাকা | দৈর্ঘ্য | উদ্বোধন তারিখ | প্রধান কার্যকারিতা | প্রত্যাশিত উপকারিতা |
|---|---|---|---|---|
| সাহাপাড়া খাল, কাহারোল, দিনাজপুর | 12.5 কিমি | 16 মার্চ | জলাবদ্ধতা দূর, সেচ সুবিধা | ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি, কৃষকের সুবিধা, পরিবেশ উন্নয়ন |
মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এই খাল খনন কর্মসূচি দেশের অন্যান্য নদী ও খাল পুনর্খনন কর্মসূচির একটি মডেল হিসেবে কাজ করবে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, খাল খনন কার্যক্রম শেষ হলে স্থানীয় জনগণ দীর্ঘমেয়াদি সুবিধা ভোগ করবে এবং দেশের কৃষি উৎপাদন আরও দৃঢ় হবে।