খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 27শে মাঘ ১৪৩১ | ৯ই ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক: পদত্যাগের দাবির মুখে ‘দলবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্টের দোসর অভিযোগে হাইকোর্ট বিভাগের ১২ বিচারপতিকে পাঠানো হয়েছিল ছুটিতে। শনিবার (৮ ফেব্রুয়ারি ) অভিযুক্ত সেই ১২ বিচারপতির তথ্য প্রকাশ করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।
২০২৪ সালের অক্টোবরে ছুটিতে পাঠানো হয় সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ১২ জন বিচারপতিকে। কোর্ট প্রশাসন জানায়, ১২ জনের মধ্যে ২০২৫ সালের ৩০জানুয়ারি পদত্যাগ করেছেন একজন বিচারপতি। এরই মধ্যে দুইজন বিচারপতি অবসর নিয়েছেন। অন্যদিকে দুইজন বিচারপতি হাইকোর্ট বিভাগের স্থায়ী বিচারক হিসেবে নিয়োগ পাননি , চারজন বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিসিয়াল কাউন্সিলে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধান কার্যক্রম এবং অপর তিন বিচারপতির বিরুদ্ধে প্রাথমিক অনুসন্ধান চলমান রয়েছে ।
২০২৪ সালের ১৫ অক্টোবর রাতে ‘দলবাজ, দুর্নীতিবাজ ও ফ্যাসিস্টের দোসর’ দাবি তুলে বিচারকদের পদত্যাগে হাইকোর্ট ঘেরাও করার ঘোষণা দেন সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ ও সারজিস আলম।
পরদিন ১৬ দুপুরে মিছিল নিয়ে হাইকোর্ট চত্বরে আসেন শিক্ষার্থীরা। সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহর নেতৃত্বে দক্ষিণ গেট দিয়ে ঢুকেতারা হাইকোর্টের অ্যানেক্স ভবনের সামনে অবস্থান নেন। সঙ্গে ছিলেন আরেক সমন্বয়ক সারজিস আলম। সেখানে অবস্থানকরে শিক্ষার্থীদের এক অংশ। একই সঙ্গে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভ মিছিলকরতে থাকে বৈষম্যবিরোধী আইনজীবী সমাজ।
বিকেলে কয়েক দফা আলোচনার পর ছাত্রদের সামনে বক্তব্য দেন সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা।তিনি বলেন, বিচারপতিদের পদত্যাগে আপনাদের যে দাবি, আসলেবিচারপতিদের নিয়োগকর্তা হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি। পদত্যাগ বা অপসারণ রাষ্ট্রপতিরদফতর থেকে হয়ে থাকে।এখানে প্রধান বিচারপতির যেটা করণীয় উনিসেটা করেছেন। আপাতত ১২ জন বিচারপতিকেপ্রাথমিকভাবে কোনও বেঞ্চ দেওয়াহচ্ছে না। বেঞ্চ নাদেওয়ার অর্থ হলো, আগামী২০ অক্টোবর কোর্ট খুলবে, তখন তারা বিচারকাজে অংশ নিতে পারবেননা।
এদিকে ২০২৪সালের ৭ নভেম্বর সুপ্রিমজুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন করা হয়েছেবলে জানায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। কোনও বিচারকের বিরুদ্ধেঅভিযোগ উঠলে এই কাউন্সিলযাচাই বাচাই করে রাষ্ট্রপতির কাছেঅভিযোগ পাঠান। সংবিধান অনুসারে, এ কাউন্সিল গঠিতহয় প্রধান বিচারপতি ও জ্যেষ্ঠ দুইজনবিচারপতির সমন্বয়ে।
খবরওয়ালা/এফএস