খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
ঈদুল ফিতরের দীর্ঘ ছুটি শেষে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে অফিস কার্যক্রমে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সকাল ৯টা ১ মিনিটে দপ্তরে উপস্থিত হয়ে তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং এরপর নিয়মিত দাপ্তরিক কাজ শুরু করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী আগমনের পর প্রথমেই কর্মকর্তাদের সঙ্গে আন্তরিক শুভেচ্ছা বিনিময় করেন, যা নববর্ষের এই মরসুমে অফিসে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশের প্রতিফলন ঘটায়।
ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও সচিবরা। এতে ছিলেন প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্দী আমিন, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তার, একান্ত সচিব মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এই শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে অফিসে একটি বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ বিরাজ করে। কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় সকলের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আনন্দের খোঁজ নেন এবং দেশের সামগ্রিক উন্নয়ন ও নীতি-নির্ধারণ সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত দিকনির্দেশনা দেন।
নিচের টেবিলে প্রধান অতিথি ও গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের উপস্থিতির সংক্ষিপ্ত বিবরণ দেওয়া হলো:
| পদবি | নাম | উপস্থিতি লক্ষ্য |
|---|---|---|
| প্রধানমন্ত্রী | তারেক রহমান | সকাল ৯:০১, অফিসে আগমন ও ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় |
| প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী | আরিফুল হক চৌধুরী | কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় |
| বেসামরিক বিমান চলাচল প্রতিমন্ত্রী | রশিদুজ্জামান মিল্লাত | শুভেচ্ছা বিনিময় ও দপ্তর পরিদর্শন |
| প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা | মাহ্দী আমিন | উপস্থিতি ও সহকর্মীদের সঙ্গে সৌহার্দ্য বিনিময় |
| মন্ত্রিপরিষদ সচিব | নাসিমুল গনি | দাপ্তরিক নির্দেশনা ও ঈদ শুভেচ্ছা |
| প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব | এ বি এম আবদুস সাত্তার | কর্মকর্তাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় |
| একান্ত সচিব | মিঞা মুহাম্মদ আশরাফ রেজা ফরিদী | উপস্থিতি ও সহকর্মীদের সঙ্গে সংলাপ |
এদিনের শুভেচ্ছা বিনিময় পুরো সচিবালয়ে প্রীতি ও উদ্দীপনা ছড়িয়ে দেয়। কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগত উদারতা ও আন্তরিকতায় এই অনুষ্ঠানকে আরও স্মরণীয় করে তুলেছেন, যা অফিসের নৈতিকতা ও কর্মদক্ষতা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করবে।
এইভাবে দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব সাধারণ কর্মীদের সঙ্গে সরাসরি সংযোগ স্থাপন করে সরকারি প্রশাসনে বন্ধুত্বপূর্ণ ও মানবিক পরিবেশ বজায় রাখার একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।