খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীর অভিজাত এলাকা গুলশানে শামীম সালিম কাসিম নামের এক বিদেশি নাগরিককে মারধরের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, গুলশান থানাধীন এলাকায় ঘটে বলে নিশ্চিত করেছেন গুলশান থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোখলেছুর রহমান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গুরুতর আহত অবস্থায় ওই বিদেশি নাগরিককে দ্রুত উদ্ধার করে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
ঘটনার পরপরই গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আলামত সংগ্রহ ও প্রাথমিক তদন্ত শুরু করে। পাশাপাশি আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহের কাজ চলছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
মোখলেছুর রহমান বলেন, একজন বিদেশি নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে। কীভাবে এ মৃত্যু ঘটেছে তা এখনো পরিষ্কার নয়। এটি হত্যাকাণ্ড কি না, নাকি অন্য কোনো কারণে মৃত্যু হয়েছে, তা তদন্তের পর নিশ্চিতভাবে বলা যাবে। বর্তমানে পুলিশ ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দিক থেকে তথ্য সংগ্রহ করছে।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। অভিজাত আবাসিক এলাকায় এমন ঘটনার পর নিরাপত্তা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ঘটনাটির সারসংক্ষেপ নিচে উপস্থাপন করা হলো—
| বিষয় | তথ্য |
|---|---|
| নিহত ব্যক্তির নাম | শামীম সালিম কাসিম |
| পরিচয় | বিদেশি নাগরিক |
| ঘটনার স্থান | গুলশান, ঢাকা |
| ঘটনার তারিখ | ২৮ এপ্রিল, মঙ্গলবার |
| প্রাথমিক অভিযোগ | মারধরের পর মৃত্যু |
| উদ্ধার স্থান | গুলশান এলাকা |
| চিকিৎসা কেন্দ্র | ইউনাইটেড হাসপাতাল |
| মৃত্যুর অবস্থা | হাসপাতালে নেওয়ার আগেই মৃত্যু ধারণা |
| তদন্তকারী সংস্থা | গুলশান থানা পুলিশ |
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে একাধিক দল কাজ করছে। প্রয়োজনে আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ বিশ্লেষণ, প্রত্যক্ষদর্শীদের জিজ্ঞাসাবাদ এবং ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা হবে।
এদিকে, নিহত ব্যক্তির পরিচয় ও তিনি কী উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে অবস্থান করছিলেন, সে বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যাচ্ছে না বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
ঘটনার পর গুলশান এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে।