খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক: খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে দফায় দফায় সংঘর্ষে জড়িয়েছে ছাত্রদল ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মাঠে নেমেছে সেনাবাহিনী। এ ঘটনায় অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) কুয়েট ক্যাম্পাস গেইটে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, গত ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার পতনের পর থেকে কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ আছে। কুয়েটে ছাত্ররাজনীতি যাতে আবার শুরু হতে পারে, সে জন্য ছাত্রদলের কর্মীরা গতকাল সোমবার ক্যাম্পাসে লিফলেট বিতরণ করেন।
পরে আজ সকালে ক্যাম্পাসের রাজনীতি ফেরানো, শিক্ষার্থীদের মারধর, মাইক কেড়ে নেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগ এনে রাজনীতি বন্ধের দাবিতে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। এসময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ধাওয়া দেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
পরে ভিসির বাসভবনের সামনে অবরোধ করে বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। দুপুরে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা একত্রিত হয়ে ক্যাম্পাসে আসলে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এসময় ছাত্রদলের সাথে বহিরাগতরা মারামারিতে অংশ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
ছাত্রদলের একজন নেতা গণমাধ্যমকে বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মধ্যে ছাত্রশিবিরের অংশ এবং পতিত সরকারের ছাত্রসংগঠনের পক্ষের দু-একজন মিলে ক্যাম্পাস থেকে এবং ক্যাম্পাসের আশপাশে ছাত্রদলের রাজনীতি বাধাগ্রস্ত করতে চায়। এর পরিপ্রেক্ষিতেই আজকের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক আবদুল হান্নান মাসউদ ফেসবুকে পোস্টে লিখেছেন, ‘কুয়েটে ছাত্রদল নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন ছাত্রলীগ স্টাইলে যে নৃশংস হামলা চালাচ্ছে, এর মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসগুলোতে ছাত্রদল নিজেদের রাজনৈতিক কবর রচনার পথেই অগ্রসর হলো।’
খানজাহান আলী থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কুয়েটে ছাত্রদের দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। এর জেরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা চলছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আমরা সাধ্যমতো কাজ করছি।’
খবরওয়ালা/জেআর