খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 28শে শ্রাবণ ১৪৩২ | ১২ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডিতে নিহত তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সায়মা আক্তারের মা রীনা আক্তার বেদনার সঙ্গে বললেন, “মেয়ে বলতো, মা, কোচিং না করালে মিস আদর করে না। তাই আমি মেয়েকে কোচিংয়ে দিলাম। কিন্তু সেই কোচিংই আমার মেয়ের মৃত্যু ও সর্বনাশের কারণ হয়ে দাঁড়ালো।’
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধন ও বিক্ষোভ থেকে তিনি এসব কথা জানান।
মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৭টায় স্কুলের নিকটবর্তী মেট্রো স্টেশন ডিপোর সামনে নিহত ও আহত শিক্ষার্থীদের পরিবারগুলো এই মানববন্ধন আয়োজন করেন। অনেকের চোখে তখনও জল, আর তারা দায়ী করছেন স্কুল কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে।
মানববন্ধন চলাকালে স্কুলে যাচ্ছিলেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা, যাদেরও অংশ নিতে আহ্বান জানানো হয়।
নিহত উম্মে আফিয়ার মামা সাব্বির বলেন, ‘অনেকদিন হয়ে গেল, কী তদন্ত হলো বা বিচার হলো, আমরা কিছু জানি না।’
অভিভাবক লিয়ন বলেন, “আমরা চাই সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের পাশাপাশি এমন নীতিমালা যেন ভবিষ্যতে আর কেউ এমন দুঃখের শিকার না হয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই স্কুলে কোচিং বাণিজ্য চলে, সেটা সবাই জানে। কোচিংয়ের কারণেই এত বাচ্চা মারা গেলো।’
গত ২১ জুলাই দুপুরে উত্তরা দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়। এতে ৩৫ জন নিহত এবং শতাধিক আহত হন।
বিমান বিধ্বস্তের ১২ দিন পর, ৩ আগস্ট মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ খুলে। প্রথম দিনে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির কয়েকজন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক ক্যাম্পাসে আসেন, কিন্তু আগের মতো উৎসবের আমেজ নেই, চারপাশ নীরব ও স্তব্ধ।
খবরওয়ালা/এমেএজেড