খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 9শে ভাদ্র ১৪৩২ | ২৪ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
সাতক্ষীরার শ্যামনগরের মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের মৌখালী এলাকায় সুন্দরবন সংলগ্ন মালঞ্চ নদীর চর দখল করে গড়ে তোলা এএন্ডএন ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস নামের রিসোর্ট সেন্টার ও ট্যুরিস্ট স্পট উচ্ছেদ করেছে উপজেলা প্রশাসন।
রবিবার (২৪ আগস্ট) দুপুরে উপজেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও টুরিস্ট পুলিশ যৌথ অভিযান চালায়। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পরিবেশ ও বন আইনের লঙ্ঘন করে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ওপর মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করছিল।
অভিযানে অবৈধ রিসোর্টের ৪টি ফুট ট্রেল, একটি গোল চত্বর ও একটি অফিস ঘর উচ্ছেদ করা হয়েছে। এসব স্থাপনা অনুমোদনহীনভাবে চরের জমি দখল করে গড়ে তোলা হয়েছিল। রিসোর্ট মালিক স্থানীয় ভূমি অফিস বা বনবিভাগের অনুমোদনের কোনো বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি।
মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়নের ভূমি কর্মকর্তা সঞ্জয় রায় বলেন, ‘স্থাপনা সরিয়ে নিতে নির্দেশ দেওয়া হলেও তারা তা মানেননি। ফলে অভিযান চালিয়ে স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হচ্ছে। নদীর জায়গায় এভাবে স্থাপনা নির্মাণের কোনো সুযোগ নেই।’
নদীর চর ভরাটি জমিতে গড়ে ওঠা এসব স্থাপনা গত আট মাসেরও বেশি সময় ধরে অবৈধভাবে তৈরি করা হয়েছিল। সংশ্লিষ্টদের নিজ দায়িত্বে এসব অবৈধ স্থাপনা সরিয়ে নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তা না মানায় প্রশাসন অভিযান চালিয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন মুন্সীগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা সঞ্জয় রায়, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী ফরিদুল ইসলাম, বন বিভাগের মুন্সীগঞ্জ টহল ফাঁড়ির ফরেস্টার ফায়েজুর রহমান, এবং নীলডুমুর টুরিস্ট পুলিশের এসআই সুজিত সরকার।
প্রসঙ্গত, খুলনার মাহাবুব আলম প্রায় আট মাস ধরে সুন্দরবন সংলগ্ন মালঞ্চ নদীর চরে এএন্ডএন ট্রাভেল অ্যান্ড ট্যুরস নির্মাণের কাজ শুরু করেছিলেন। এর আগে পানি উন্নয়ন বোর্ড বাঁধ প্রশস্ত ও উঁচু করার জন্য বালুভর্তি জিও ব্যাগ ডাম্পিং করেছিল। পরে এক ব্যক্তি প্রভাবশালী ট্যুরিস্ট ব্যবসায়ী পরিচয়ে ওই বাঁধের ওপর স্থাপনা নির্মাণ শুরু করেন।
খবরওয়ালা/শরিফ