খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৮ আগস্ট ২০২৫
সাংবাদিক মোশারেফ হোসেন সিকদার (নোমান মোশারেফ) এবং কেফায়েত উল্লাহ চৌধুরী শাকিলসহ কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও মারধরের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)।
বুধবার (২৭ আগস্ট) ডিআরইউ কার্যনির্বাহী কমিটির পক্ষ থেকে সভাপতি আবু সালেহ আকন ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল এই নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
একই সঙ্গে তারা এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। এ ঘটনায় শাহবাগ থানায় একটি মামলা হয়েছে।
মামলার নথি অনুযায়ী, বুধবার দুপুর ২টার দিকে মোশারেফ হোসেন সিকদার এবং নিউ নেশনের সহকর্মী মো. শিমুল হাসান মোটরসাইকেলে ডিআরইউ যাওয়ার পথে একটি মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো-চ ১৫-৪১৮৭) তাদের গতিরোধ করে। এ সময় মোশারেফ মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারালে মাইক্রোবাসের চালক লাঠি দিয়ে তাকে আঘাত করে। মোশারেফ আঘাত প্রতিহত করতে গেলে লাঠির খোঁচায় চালকের ভ্রুতে সামান্য আঘাত লাগে। তখন শিমুল হাসান এগিয়ে এলে তাকে ছুরি দিয়ে আঘাত করা হয়। এরপর গাড়ি থেকে নেমে আসা কয়েকজন এবং আরও কয়েকজন লোক মিলে তাদের দুজনকে লাথি, কিল ও ঘুষি মারতে থাকে। তাদের একজন nearby প্রেস ক্লাবের পুলিশ বক্সে গিয়ে পুলিশ নিয়ে এসে তাদের বেধড়ক পেটায়। এ ঘটনার ভিডিও করতে গেলে আশপাশের সাংবাদিকরাও পুলিশের মারধরের শিকার হন।
পরে পুলিশ মোশারেফ হোসেন সিকদার এবং শিমুল হাসানকে টেনে-হিঁচড়ে পুলিশ বক্সে নিয়ে যায়। এ ঘটনার প্রতিবাদ করতে গেলে দৈনিক আমার সংবাদ-এর সাংবাদিক সপ্তমি মন্ডল রিতু এবং দৈনিক খোলা বাজার-এর সাংবাদিক রোজিনা বেগমও পুলিশের হাতে হেনস্তার শিকার হন।
পুলিশ বক্সে নিয়ে তাদের পেটানোর সময় বাংলাভিশন টেলিভিশনের রিপোর্টার কেফায়েত শাকিল ভিডিও করতে গেলে তিনিও হেনস্তা ও পুলিশের মারধরের শিকার হন। পরে বাংলাভিশনের ক্যামেরা রেকর্ডিং শুরু করলে পুলিশ মোশারেফ ও শিমুলকে বক্স থেকে বের করে দেয়। এরপর সাংবাদিক কামরুজ্জামান বাবলু, গাযী আনোয়ার, শাহীন হাসনাত, ইয়াসির ওয়ার্দার তন্ময়সহ কয়েকজন আহত সাংবাদিকদের ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করান।
ডিআরইউ নেতারা এই ঘটনাকে ন্যাক্কারজনক বলে অভিহিত করেন এবং জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
খবরওয়ালা/টিএসএন