খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 31শে ভাদ্র ১৪৩২ | ১৫ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ফরিদপুরে সংসদীয় আসন পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে এবং পুরোনো সীমানা বহালের দাবিতে আয়োজিত মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ কর্মসূচি সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সহিংস রূপ নেয়। বিক্ষুব্ধ জনতা ভাঙ্গা থানা ও উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে।
এ সময় সাংবাদিকদের ওপর হামলার চেষ্টা হয়, তাঁদের মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া হয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করার চেষ্টা করা হয়।
একজন প্রত্যক্ষদর্শীর ভাষ্য, দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সোয়া ১টার মধ্যে ভাঙ্গা উপজেলা ঘিরে এসব হামলার ঘটনা ঘটে। তবে এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কিংবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এক গণমাধ্যমকর্মী জানান, ‘আমরা যখন ভাঙচুরের ঘটনাগুলো ধারণ করছিলাম, তখন বিক্ষোভকারীরা আমাদের দিকে তেড়ে আসে। তাঁরা ক্যামেরা ও মুঠোফোন কেড়ে নেয় এবং শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। পরে আমরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করি। এখন সবাই আত্মগোপনে আছি।’
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের আলগী ইউনিয়নের সোয়াদী এলাকা থেকে শুরু হওয়া ‘লং মার্চ টু ভাঙ্গা’ দুপুর ১২টার মধ্যে গোলচত্বর এলাকায় এসে পৌঁছায়। বিক্ষোভকারীদের হাতে লাঠি ছিল। মুহূর্তেই ভাঙ্গা গোলচত্বর ও আশপাশের এলাকায় হাজারো মানুষ নিয়ন্ত্রণ নেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অল্পসংখ্যক সদস্য বিক্ষোভকারীদের সরানোর চেষ্টা করলে তাঁদের ধাওয়া খেতে হয়। একপর্যায়ে পুলিশ ভাঙ্গা মডেল মসজিদে আশ্রয় নেয়। ১০–১৫ মিনিট পর তাঁরা থানায় ফিরে যান।
এদিকে সহিংসতার কারণে ঢাকা–খুলনা ও ভাঙ্গা–বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে সাধারণ যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েন। সর্বশেষ পরিস্থিতি জানতে ভাঙ্গা সার্কেল, থানার ওসি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।
খবরওয়ালা/শরিফ