খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
নোয়াখালী সদর হাসপাতাল ও নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের দুই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দীর্ঘ এক বছর ধরে সরকারি হাসপাতালে অনুপস্থিত থেকে নিকটবর্তী প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়মিত চিকিৎসা সেবা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়েছে, ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের প্যাথলজি বিভাগের কনসালটেন্ট ডা. সোহানা শিকদার মূলত গাইনী অ্যান্ড অবস বিষয়ের ডিজিও ও এফসিপিএস ডিগ্রিধারী। গাইনী বিভাগে পদায়ন হলে তাকে রোগী দেখা ও অপারেশনে অংশ নিতে হতো, যা তিনি এড়াতে প্যাথলজি বিভাগে পোস্টিং নিয়েছেন।
অভিযোগ অনুযায়ী, গত এক বছর ধরে তিনি নোয়াখালী সদর হাসপাতালে নিয়মিত উপস্থিত হননি। এক ভুক্তভোগী রোগী সালমা আক্তার জানান, এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতাল খুঁজেও ডা. সোহানাকে পাননি। পরে জানা যায়, তিনি হাসপাতালের পাশের মেট্রো হাসপাতালে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত রোগী দেখেন ও অপারেশন করেন।
একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে নোয়াখালী মেডিকেল কলেজের এনেস্থেসিয়া বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মনোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধেও। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি মেডিকেল কলেজ বা সদর হাসপাতালে উপস্থিত না হলেও প্রতিদিন বিভিন্ন প্রাইভেট হাসপাতালে এনেস্থিসিয়া সেবা দেন।
সদর হাসপাতালের এক কর্মচারী মাসুদকে মাসিক টাকা দিয়ে তাদের হাজিরা ম্যানেজ করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী সালমা আক্তার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কাছে লিখিত আবেদনে যথাযথ তদন্ত ও জনস্বার্থে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বহির্বিভাগের টিকিট কপি ও প্রেসক্রিপশন প্যাডের কপিও সংযুক্ত করেছেন এবং দাবি করেছেন, সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করলে সত্যতা নিশ্চিত করা যাবে।
খবরওয়ালা/আশ