খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৫
গ্রাহকের হাতে থাকা অতিরিক্ত সিমের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)। আগামী ১ নভেম্বর থেকে কোনো ব্যাক্তির জাতীয় পরিচয়পত্রের বিপরীতে (এনআইডি) ১০টির বেশি সিম থাকলে মোবাইল অপারেটররা তা বন্ধ করবে।
বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি মিলনায়তনে এ তথ্য জানান প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান এমদাদ উল বারী। তিনি বলেন, ‘পহেলা নভেম্বর থেকে একজন গ্রাহকের এনআইডির বিপরীতে ১০টির বেশি সিম থাকলে অতিরিক্ত সিম ইচ্ছেমতো বন্ধ করে দেবে মোবাইল অপারেটররা।’ তিনি আরও জানান, ডিসেম্বরের পর থেকে দেশে কারো কাছে এক এনআইডির বিপরীতে ১০টির বেশি সিম থাকবে না।
বিটিআরসির জরুরি বার্তায় বলা হয়েছে, যেসব এনআইডি কার্ডে ১০টির বেশি সিম রয়েছে, সেগুলো ১ নভেম্বর থেকে বন্ধ করা হবে। এর উদ্দেশ্য হলো মোবাইল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা ও কারচুপির সুযোগ সীমিত করা। তাই গ্রাহকরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজস্ব অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারের মাধ্যমে অতিরিক্ত সিম ডি-রেজিস্ট্রার বা মালিকানা পরিবর্তনের ব্যবস্থা করবেন।
গ্রাহকরা চাইলে নিজেরা ১০টি সিম রেখে অতিরিক্ত সিম ডি-রেজিস্ট্রার করতে পারবেন। যদি কেউ তা না করেন, মোবাইল অপারেটরদের মাধ্যমে কমিশন দৈবচয়নের মাধ্যমে অতিরিক্ত সিম স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করবে। এছাড়া নিজের এনআইডির বিপরীতে কতগুলো সিম নিবন্ধিত আছে তা জানতে গ্রাহকরা *১৬০০১# ডায়াল করে এনআইডির শেষ চার ডিজিট পাঠালে তথ্য পাবেন।
বিটিআরসি সতর্ক করে জানিয়েছে, সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এতে মোবাইল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ এবং নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে। অতিরিক্ত সিম ডি-রেজিস্ট্রার করে ব্যবহারকারীরা ঝুঁকি এড়িয়ে নিজেদের সিম সুরক্ষিত রাখতে পারবেন।
এদিকে, গত ২৬ অক্টোবর প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জানান, সন্ত্রাসী কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে একক নামে মোবাইল সিমকার্ডের সংখ্যা ১০টি থেকে কমিয়ে সাতটি করা হবে। ভবিষ্যতে একক নামে সিমের সংখ্যা ২টিতে কমানো হবে, তবে নির্বাচনের আগে সর্বাধিক সীমা হবে সাতটি।