খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 21শে কার্তিক ১৪৩২ | ৫ই নভেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বুধবার (৫ নভেম্বর) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা এনসিপির সমন্বয় সভায় বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর গণসংযোগে গুলিবিদ্ধ হওয়ার প্রসঙ্গে তিনি এ মন্তব্য করেন।
নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে হাসনাত বলেন, “দলীয় কোন্দলে গুলি খেতে না চাইলে আপনারা এনসিপির রাজনীতি করবেন। অস্ত্রের রাজনীতি, চাঁদাবাজির রাজনীতি মানুষ অতিষ্ঠ। আগামীর ভোট হবে মাফিয়া, চাঁদাবাজি ও বুলেটের বিরুদ্ধে।” তিনি অভিযোগ করে বলেন, “চট্টগ্রামে ব্যালটের চেয়ে বুলেটই শক্তিশালী হয়ে উঠেছে। যারা ব্যালটের চেয়ে বুলেটকে শক্তিশালী করেছে তাদের বিচার হবে।”
হাসনাত আরও বলেন, “যারা বিএনপির মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন, তারা যদি আগামীর বাংলাদেশ গড়তে চান, তাদের এনসিপিতে স্বাগতম। এনসিপি জোটে বিশ্বাসী নয়; আমরা নির্বাচনে সিট পুনর্বণ্টনে নয়, রাষ্ট্র পুনর্গঠনে বিশ্বাসী। এনসিপি যে অবস্থান নেবে, সেখানে বিএনপি–জামাত বাধ্য হয়ে আসতে হয়।”
এই সময় তিনি সরকারের দুই উপদেষ্টা ও তাদের কার্যক্রম নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। বলেন, “এই সরকারের সবচেয়ে ব্যর্থ প্রজেক্ট হলো স্বাস্থ্য উপদেষ্টা। তিনি স্বাস্থ্য বিষয়ে কিছুই জানেন না। তিনি কেবল বুঝেন কোন জেলা থেকে কিস্তি নেবেন, কোন ওষুধ বিক্রি করলে কত লাভ। তাঁর ব্যর্থতার দায় আমাদের সারাজীবন টেনে নিতে হবে। খুলনায় জুলাই যোদ্ধার চোখ হারানো—তারই দায়.”
জুলাই যোদ্ধাদের পাওনা আদায়ে মুক্তিযোদ্ধা উপদেষ্টার অচল পদক্ষেপেরও সমালোচনা করেন তিনি। বলেন, “জুলাই যোদ্ধাদের পাওনা মিটিয়ে দিতে উপদেষ্টা নানা প্রটোকল দেখাচ্ছেন। পাওনা শিগগিরই না দেওয়া হলে প্রটোকলে থাকা দামি গাড়ির কালো কাঁচের ভেতর থেকে টেনে বের করে তা আদায় করা হবে।”
সংগঠনের কার্যক্রম গতিশীল করতে নেতাকর্মীদের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি যোগ করেন, “এনসিপির চট্টগ্রাম নেতাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি কোরাম দেখেছি। নিজের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে চাইলে কোরাম বাদ দিতে হবে। একা সফল হতে চাইলে পতন নিশ্চিত; সারভাইভ করতে হলে সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। মাইম্যান পলিটিক্স বাদ দিতে হবে।”