খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২ ডিসেম্বর ২০২৫
ব্যাংকে আমানতের প্রবৃদ্ধি শক্তিশালী থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধিতে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। খাদ্যপণ্যের মূল্য হ্রাসের কারণে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি একক অঙ্কে নেমেছে। তবে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের রাজস্ব আদায় বছরের পর বছর বৃদ্ধি সত্ত্বেও লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের (জিইডি) নভেম্বর মাসের ইকনোমিক আপডেট এন্ড আউটলুক প্রতিবেদনে এসব তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সংস্থাটি সোমবার এই প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, রপ্তানিতে কিছু অস্থিরতা রয়েছে, তবে মাঝারি পুনরুদ্ধারের আশা করা যাচ্ছে। খাদ্য মূল্য স্থিতিশীল হওয়ায় এবং সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতির কারণে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পাচ্ছে। অভ্যন্তরীণ সরবরাহ শৃঙ্খলের ধীর স্থিতিশীলতা এবং আমদানিকৃত পণ্যের চাপ কম থাকায়, ২০২৫ সালের অক্টোবর মাসে সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতি ২০২৪ সালের অক্টোবরের ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশ থেকে কমে ৮ দশমিক ১৭ শতাংশে নেমেছে।
খাদ্য মূল্যস্ফীতি ১২ দশমিক ৬৬ শতাংশ থেকে কমে অক্টোবরে ৭ দশমিক ০৮ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। বহির্ভূত মুদ্রাস্ফীতি সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে পৌঁছেছে, যা আবাসন, পরিবহন এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে চলমান চাপের প্রতিফলন।
চালের দাম কমতে শুরু করে ২০২৫ সালের প্রথমার্ধে। নতুন আমন ফসল আসার সাথে সাথে আমদানি ও সরকারি ক্রয় বৃদ্ধির ফলে দেশীয় মজুদ বেড়েছে। সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে চালের গড় খুচরা মূল্য হ্রাস পেয়েছে। সামগ্রিকভাবে চালের মূল্যস্ফীতি ২০২৫ সালের অক্টোবরে ১৩ দশমিক ৭৭ শতাংশে নেমেছে। মাছ এবং মাংসও খাদ্য মুদ্রাস্ফীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
খবরওয়ালা /এজে