খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২৫
চেচনিয়ার রাজধানী গ্রোজনিতে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার ঘটনার পর পরিস্থিতি হঠাৎ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। হামলার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই চেচেন নেতা রমজান কাদিরভ প্রকাশ্যে প্রতিশোধের ঘোষণা দেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, বেসামরিক স্থাপনায় নয়, ইউক্রেনের সামরিক ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোই হবে তাদের টার্গেট।
তাসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার নিজের টেলিগ্রাম চ্যানেলে কাদিরভ বলেন, “আগামী সাত দিন ইউক্রেনের নব্য-নাৎসিরা আমাদের ভয়ংকর প্রতিক্রিয়া অনুভব করবে।” তার এই বক্তব্য আন্তর্জাতিকভাবে নতুন এক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে—চেচেন বাহিনী কি সরাসরি বড় ধরনের অপারেশন চালাতে যাচ্ছে?
কাদিরভের বক্তব্যে একটি যুদ্ধ-নৈতিকতার বার্তা পাওয়া যায়। তিনি দাবি করেন, মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করতে ইউক্রেন বহুতল ভবনে আঘাত হেনেছে। কিন্তু চেচেন বাহিনী তা করবে না, কারণ তা ‘কাপুরুষোচিত’। তাঁর ভাষায়, “আমরা সন্ত্রাসী নই, আমরা সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করব।”
৫ নভেম্বরের ড্রোন হামলায় গ্রোজনি সিটির সুউচ্চ ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো প্রাণহানি ঘটেনি। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ইউক্রেন রাশিয়াপন্থী শক্তিগুলোকে বোঝাতে চায় যে যুদ্ধ কেবল রাশিয়ার সীমান্তেই সীমাবদ্ধ নয়; যারা রাশিয়াকে সমর্থন করছে, তারাও লক্ষ্যবস্তু।
এ অবস্থায় কাদিরভের কঠোর প্রতিশোধের ঘোষণা যুদ্ধের পরিধিকে আরও বিস্তৃত ও জটিল করে তুলতে পারে। এটি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতেই নতুন উত্তেজনা সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে।