খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
আজ রোববার, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের মুদ্রাবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে। গত কয়েকদিনের স্থিতিশীলতার পর আজ ডলারের দাম সামান্য কমে ১২২ টাকা ২৯ পয়সা থেকে সর্বাধিক ও ১২২ টাকা ২৫ পয়সা থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ডলারের গড় দাম আজ ১২২ টাকা ২৮ পয়সা। গত জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ডলারের মূল্য বিভিন্ন কারণে ওঠানামা করছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, বৈশ্বিক বাজারে ডলারের মন্দা এবং দেশের রিজার্ভ পরিস্থিতি সরাসরি ডলারের বিনিময় হারের উপর প্রভাব ফেলে। ব্যবসায়ীরা লক্ষ্য করেছেন, খোলাবাজারে ডলারের বিক্রির দাম কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রকাশিত দর থেকে কিছুটা বেশি। এটি বাজারের চাহিদা এবং সরবরাহের অনিশ্চয়তার সঙ্গে সম্পর্কিত।
আজ দেশের মুদ্রাবাজারে বেশির ভাগ মুদ্রার দাম কমেছে। এর মধ্যে রয়েছে পাউন্ড, ভারতীয় রুপি, চীনা ইউয়ান এবং অস্ট্রেলীয় ডলার। অপরদিকে ইউরো ও সিঙ্গাপুরি ডলারের দর বেড়েছে। ইয়েনের দাম আজ অপরিবর্তিত রয়েছে। মুদ্রার ওঠানামা দেশীয় ব্যবসা-বাণিজ্যের খরচকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
অর্থনীতিবিদরা বলছেন, মুদ্রার বিনিময় হার শুধু বিদেশি লেনদেন নয়, দেশের আমদানি-রফতানি ব্যয় এবং স্থানীয় বাজারে পণ্যের মূল্যও প্রভাবিত করে। বিশেষ করে ডলারের ওঠানামা রপ্তানি খাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ডলার ব্যয় বেশি হলে আমদানি খরচ বেড়ে যায় এবং অভ্যন্তরীণ বাজারে পণ্যের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়ে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে বিনিময় হারের সামান্য পতন বিনিয়মিতভাবে মুদ্রার স্থিতিশীলতা এবং ব্যবসায়িক পরিকল্পনার জন্য সহায়ক হতে পারে। তবে, বৈশ্বিক অর্থনীতির অস্থিরতা এবং রিজার্ভের সীমিততা ডলারের দরকে অপ্রত্যাশিতভাবে পরিবর্তিত করতে পারে।
আজকের বাজারে ডলার ও অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার ওঠানামার দিকে নজর রাখা ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তারা এ তথ্যের ভিত্তিতে বাজেট পরিকল্পনা, আমদানি-রফতানি চুক্তি এবং মুদ্রা বিনিয়োগের কৌশল নির্ধারণ করতে পারেন।