খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
শনিবার (২৭ ডিসেম্বর) বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঢাকার একটি তাৎপর্যপূর্ণ কবর জিয়ারতের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেছেন। তিনি ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে অবস্থিত ইনকিলাব মঞ্চের শহীদ শহীদ শরিফ ওসমান হাদির কবর পরিদর্শন করেন। তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস এবং অন্যান্য শীর্ষ নেতারা।
তারেক রহমান সকাল পৌনে ১১টায় গুলশানের বাসা থেকে বের হন এবং ১১:১৫ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে পৌঁছান। কবর জিয়ারতের সময় তিনি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরও পরিদর্শন করেন, যা তাঁর ইতিহাসচেতনাকে ফুটিয়ে তোলে।
এরপর তারেক রহমানের কর্মসূচি ছিল জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অফিসে যাওয়ার। এছাড়া, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের দেখতে রাজধানীর শ্যামলীতে অবস্থিত পঙ্গু হাসপাতালে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল। তবে হাসপাতালে কোনও আহত ব্যক্তি না থাকায় ওই কর্মসূচি বাতিল করতে হয়।
এই ভিজিটকে কেন্দ্র করে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব একটি বিস্তারিত সময়সূচি অনুসরণ করেছিলেন। মূল কবর জিয়ারতের সময়সূচি নিচের টেবিলে তুলে ধরা হলো:
| সময় | কার্যক্রম | স্থান | Remarks |
|---|---|---|---|
| ১০:৪৫ এএম | গুলশান থেকে বের হন | গুলশান, ঢাকা | ব্যক্তিগত গাড়িতে |
| ১১:১৫ এএম | ওসমান হাদির কবর জিয়ারত | ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ | শহীদ শরিফের কবর |
| ১১:৩০ এএম | কাজী নজরুল ইসলামের কবর জিয়ারত | ঢাবি কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণ | জাতীয় কবির সমাধি |
| ১২:০০ পিএম | এনআইডি রেজিস্ট্রেশন অফিসে যাত্রা | নির্বাচন কমিশন | অফিস কার্যক্রম সম্পন্ন |
| ২:০০ পিএম | পঙ্গু হাসপাতালে যাওয়ার পরিকল্পনা | শ্যামলী, ঢাকা | কর্মসূচি বাতিল |
কর্মসূচির মাধ্যমে তারেক রহমান ইতিহাসচেতনার পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতনতা ও নাগরিক বিষয়ক দায়িত্ব পালনের প্রতিফলন দেখিয়েছেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের কবর জিয়ারত ও সামাজিক কর্মসূচি নেতাদের জনমুখী কর্মকাণ্ডের একটি অংশ হিসেবে গণ্য করা যায়।
বিএনপির নেতারা বলেন, “এই ধরনের অনুষ্ঠান আমাদের ইতিহাসকে মনে করিয়ে দেয় এবং নতুন প্রজন্মকে সাহস ও ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বার্তা দেয়।”
তারা আরও জানিয়েছেন, ভবিষ্যতেও দলের শীর্ষ নেতৃত্ব দেশজুড়ে বিভিন্ন স্মৃতিসৌধ ও ঐতিহাসিক স্থানে ভিজিটের মাধ্যমে ইতিহাস ও গণমানুষের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন।