খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
ঢাকা-১৮ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী আরিফুল ইসলাম আদীবের নির্বাচনী জনসংযোগ কর্মসূচিতে সোমবার সকালে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় একজনকে আটক করেছে ছাত্রজনতা, যিনি হামলার জন্য ব্যবহৃত চাপাতিসহ উদ্ধার হয়েছেন। পরে তাকে উত্তরা-পূর্ব থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জানিয়েছে, আটক ব্যক্তি মো. মানিক, যিনি পূর্বে তুরাগ থানায় চার্জশিটভুক্ত আসামি হিসেবে রেকর্ডে রয়েছে। ঢাকা-১৮ আসনের এ ঘটনা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার মাত্রা বাড়িয়েছে।
হামলার ঘটনা সোমবার সকালেই ঘটে, খিলক্ষেত থানার ডুমনী নূরপাড়া এলাকাতে, যেখানে আরিফুল ইসলাম আদীব নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গিয়েছিলেন। দুপুরে উত্তরার বিএনএস সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আরিফুল ইসলাম অভিযোগ করেন, হামলার পরিকল্পনা করা হয়েছিল বিএনপির স্থানীয় নেতাদের দ্বারা। তিনি উল্লেখ করেন, ৪৩ নম্বর ওয়ার্ডের বিএনপি নেতা দিদার মোল্লার নেতৃত্বে তাদের ওপর পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ চালানো হয়েছে।
আরিফুল বলেন, “আমাদের জনসংযোগের সময় শান্তিপূর্ণভাবে মানুষদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু বিএনপির স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে আমাদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। এটি নির্বাচনী পরিবেশকে উত্তপ্ত ও হিংসাত্মক করেছে।”
ছাত্রজনতার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হামলার সময় চাপাতিসহ মানিককে আটক করা হয় এবং তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রার্থী এবং তাঁর অনুসারীরা আশা করছেন, নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
নিচের টেবিলে হামলার সংক্ষিপ্ত তথ্য তুলে ধরা হলো:
| ঘটনা | তথ্য |
|---|---|
| স্থান | খিলক্ষেত, ডুমনী নূরপাড়া এলাকা |
| সময় | সোমবার সকাল, ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ |
| প্রার্থী | আরিফুল ইসলাম আদীব (এনসিপি) |
| হামলার ধরন | পরিকল্পিত শারীরিক হামলা, চাপাতি ব্যবহার |
| আটক ব্যক্তি | মো. মানিক (তুরাগ থানার চার্জশিটভুক্ত) |
| হস্তান্তর | উত্তরা-পূর্ব থানা |
| অভিযুক্ত নেতা | দিদার মোল্লা (৪৩ নং ওয়ার্ড, বিএনপি) |
এই হামলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, নির্বাচনী প্রচারণার সময় এ ধরনের ঘটনা ভোটারদের নিরাপত্তা ও নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা প্রভাবিত করতে পারে। নিরাপত্তা বাহিনী ও প্রশাসনের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে, যে তারা নিরপেক্ষভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও শান্তিপূর্ণ ভোট প্রচারণা নিশ্চিত করতে পারে।