খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল ইতিহাস গড়ে দেশকে ক্রীড়াঙ্গনে নতুন গৌরব উপহার দিয়েছে। ২৫ জানুয়ারি থাইল্যান্ডের ননথাবুরি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত সাফ নারী ফুটসাল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৬-এর ফাইনালে বাংলাদেশ দল শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মালদ্বীপকে ১৪-২ গোলে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এই জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের নারী ফুটবল আন্তর্জাতিক মানের সাফল্য দেখাতে সক্ষম হওয়ার প্রমাণ দিয়েছে।
এই অনন্য সাফল্যকে সম্মান জানাতে এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাদের তেজগাঁও প্রধান কার্যালয়ে জাতীয় নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা প্রদান করেছে। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলের সকল খেলোয়াড়, কোচ ও কর্মকর্তাদের পাশাপাশি এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, চিফ অপারেটিং অফিসার, মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক ও ম্যানুফ্যাকচারিং ইউনিটের পরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখযোগ্যভাবে, অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, “বাংলাদেশের নারীরা আজ প্রমাণ করেছে যে তারা কেবল দেশেই নয়, আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনেও গৌরব ছড়াতে সক্ষম। এই সাফল্য নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবে।” বক্তারা আরও যোগ করেন, এভারেস্ট ফার্মাসিউটিক্যালস দেশের স্বাস্থ্যখাতের পাশাপাশি ক্রীড়াঙ্গনের অর্জনকে সম্মান জানাতে সবসময় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে এবং সামাজিক ও ক্রীড়াজগতের উন্নয়নে গত আট বছর ধরে সক্রিয়ভাবে অবদান রেখে আসছে।
বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের ফাইনাল ম্যাচের পরিসংখ্যান:
| দলের নাম | গোল সংখ্যা | হারানো গোল |
|---|---|---|
| বাংলাদেশ | 14 | 2 |
| মালদ্বীপ | 2 | 14 |
দলটি প্রতিটি ম্যাচেই অসাধারণ পারফরম্যান্স প্রদর্শন করেছে। বিশেষ করে ফাইনালে ১৪ গোল করা দলের আক্রমণাত্মক ফুটবল বিশ্ববাসীর নজর কেড়েছে। এই জয় কেবল শিরোপা অর্জনেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং বাংলাদেশের নারী ফুটবলকে আন্তর্জাতিক মানে পরিচিতি দিয়েছে।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দলের কোচ এবং ক্যাপ্টেন বক্তৃতা দেন, যেখানে তারা বলেন, “এই সাফল্য শুধুমাত্র আমাদের নয়, পুরো দেশের। ভবিষ্যতে আরও আন্তর্জাতিক স্তরে সাফল্য অর্জন করতে আমাদের কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যেতে হবে।” অনুষ্ঠানে উপস্থিত উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেন, আগামী বছর দেশের নারীদের ফুটবল আরও শক্তিশালী হয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে উল্লেখযোগ্য সাফল্য আনবে।
এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ক্রীড়াঙ্গনে নারী খেলোয়াড়দের অবদানের স্বীকৃতি জানানো হলো এবং জাতীয় ক্রীড়া খাতের উন্নয়নে এই ধরনের উদাহরণ অনুপ্রেরণার হিসেবে বিবেচিত হবে।