বিশ্ব ফুটবলের ডিসেম্বর মাসের ফিফা র্যাঙ্কিং প্রকাশিত হয়েছে, আর তাতে বাংলাদেশের জন্য বড় কোনো চমক নেই। জাতীয় পুরুষ ফুটবল দল আগের মাসের মতোই ১৮০তম অবস্থানে রয়েছে। আপাতদৃষ্টিতে এই স্থিরতা খুব সাধারণ মনে হলেও, র্যাঙ্কিংয়ের ভেতরের সংখ্যাগুলো খুঁটিয়ে দেখলে স্পষ্ট হয়—প্রতিযোগিতার ময়দানে একেবারেই স্বস্তির জায়গায় নেই বাংলাদেশ। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা সোমবার সর্বশেষ র্যাঙ্কিং তালিকা প্রকাশ করে। গত ১৮ নভেম্বর এশিয়ান কাপ বাছাইপর্ব শেষ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফুটবলে আর কোনো ফিফা উইন্ডো না থাকায় অনেক দেশের মতো বাংলাদেশের অবস্থানেও বড় পরিবর্তন আসেনি। ম্যাচ না থাকায় র্যাঙ্কিং নম্বর একই থাকলেও, রেটিং পয়েন্টে এসেছে সামান্য অবনমন। নভেম্বর মাসে বাংলাদেশের রেটিং পয়েন্ট ছিল ৯১১.১৯, যা ডিসেম্বরে নেমে দাঁড়িয়েছে ৯১১.১০–এ। এই পার্থক্য খুবই ক্ষুদ্র হলেও, র্যাঙ্কিংয়ের নিচের দিকের দলগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা যে কতটা তীব্র, সেটিই স্পষ্ট করে দেয়। কারণ বাংলাদেশের ঠিক এক ধাপ ওপরে থাকা ১৭৯তম স্থানে কম্বোডিয়ার পয়েন্ট ৯১১.৫৪—অর্থাৎ খুব সামান্য ব্যবধানেই অবস্থান বদলে যেতে পারে। নভেম্বর উইন্ডোর প্রভাব ও নেপাল ম্যাচের হিসাব নভেম্বর আন্তর্জাতিক উইন্ডোতে বাংলাদেশের একটি ম্যাচ র্যাঙ্কিং আলোচনায় বিশেষভাবে উঠে এসেছে। এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের আগে নেপালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল বাংলাদেশ। তবে ওই ম্যাচটি নভেম্বরের ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে অন্তর্ভুক্ত হয়নি। বিষয়টি নজরে আসার পর ফিফা ও এএফসি ডিসেম্বরের র্যাঙ্কিংয়ে সেটি সমন্বয়ের আশ্বাস দেয়। ধারণা করা হচ্ছে, সেই ম্যাচের ফলাফল যুক্ত হওয়াতেই বাংলাদেশের পয়েন্টে এই সামান্য পরিবর্তন এসেছে। নেপালের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। বাংলাদেশের বিপক্ষে তারা একটি ম্যাচে ড্র করায় পয়েন্টে লাভবান হয়েছে। যদিও অবস্থান অপরিবর্তিত থাকায় তাদের উন্নতি দৃশ্যমান হয়নি। বাংলাদেশ ও আশপাশের দলের র্যাঙ্কিং ও পয়েন্ট (ডিসেম্বর) দেশ র্যাঙ্কিং নভেম্বর পয়েন্ট ডিসেম্বর পয়েন্ট কম্বোডিয়া ১৭৯ — ৯১১.৫৪ বাংলাদেশ ১৮০ ৯১১.১৯ ৯১১.১০…
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত সব ধরনের কনসুলার সেবা ও ভিসা কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়েছে। অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়ানো এবং মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) হাইকমিশনের পক্ষ থেকে জারি করা এক লিখিত নোটিশে এ তথ্য জানানো হয়। নোটিশে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে দর্শনার্থী, আবেদনকারী ও মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আপাতত সব ধরনের সেবা বন্ধ রাখা হচ্ছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দ্রুতই কার্যক্রম পুনরায় চালুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় ঘোষণা দেওয়া হবে। বাংলাদেশ হাইকমিশনের প্রধান ফটকে টাঙানো ওই নোটিশে ভিসা ও কনসুলার সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের অসুবিধার জন্য দুঃখপ্রকাশও করা হয়েছে। একই সঙ্গে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগের দু’দিন দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের সামনে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) ও রোববার (২১ ডিসেম্বর) উগ্রপন্থি একটি সংগঠনের প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন সমর্থক হাইকমিশনের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এ সময় তারা উসকানিমূলক স্লোগান দেয় এবং বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারত ছাড়ার আহ্বান জানায় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি কূটনৈতিক মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করে। এর পাশাপাশি রোববার ভারতের শিলিগুঁড়িতে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি ভিসা সেন্টারে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা সেন্টারের ভেতরে ভাঙচুর চালায় এবং কিছু আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত করে। এ ঘটনায় ভিসা প্রত্যাশীদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং সেবাদান কার্যক্রম ব্যাহত হয়। কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে, এসব ঘটনায় দুই দেশের সম্পর্কের ওপর সরাসরি প্রভাব না পড়লেও নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে বাংলাদেশ হাইকমিশনের এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া ছিল সময়োপযোগী। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কূটনৈতিক মিশনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী স্বাগতিক দেশের দায়িত্ব। বর্তমানে দিল্লি ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে বাংলাদেশ হাইকমিশন পুনরায় ভিসা ও কনসুলার সেবা চালু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র : বিষয় তথ্য স্থান বাংলাদেশ হাইকমিশন, দিল্লি সিদ্ধান্ত ভিসা ও কনসুলার সেবা সাময়িক স্থগিত কার্যকর তারিখ ২২ ডিসেম্বর…
শরীয়তপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ চলাকালে ককটেল বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। সোমবার (সন্ধ্যায়) শহরের ব্যস্ত চৌরাঙ্গী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে গুলি করে হত্যার প্রতিবাদ এবং খুলনায় শ্রমিক শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির সংগঠক মোতালেব শিকদারের ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনার বিচার দাবিতে এনসিপির নেতাকর্মীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিলটি শরীয়তপুর শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে চৌরাঙ্গী এলাকার দিকে অগ্রসর হলে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। মিছিল চলাকালে ছাত্রদলের এক কর্মীর মোটরসাইকেল মিছিলে ঢুকে পড়াকে কেন্দ্র করে প্রথমে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়। মুহূর্তের মধ্যেই তা হাতাহাতি ও সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের একপর্যায়ে ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হলে অন্তত পাঁচজন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে স্থানীয় হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। ঘটনার পর দুই পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। জেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব সোহেল তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, “আমাদের এক কর্মীকে রাস্তায় আটকে রাখা হয়। খবর পেয়ে আমরা সেখানে গেলে এনসিপির নেতাকর্মীরা আমাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।” অন্যদিকে পাল্টা অভিযোগ তুলে জেলা নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সাবেক যুগ্ম সমন্বয়কারী সবুজ তালুকদার বলেন, “হাদি হত্যার বিচার এবং খুলনায় আমাদের নেতার ওপর গুলির প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ মিছিল চলছিল। ছাত্রদলের একটি ছেলে মোটরসাইকেল নিয়ে মিছিলে ঢুকে আমাদের এক কর্মীর ওপর হামলা চালায়। পরে তাকে ধরে রাখলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।” এ বিষয়ে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ আলম বলেন, “এনসিপির মিছিলে একটি মোটরসাইকেল ঢুকে পড়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের সঙ্গে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” ঘটনার পর চৌরাঙ্গী এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে থাকলেও রাজনৈতিক অঙ্গনে এ ঘটনা নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। সংঘর্ষের সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র : বিষয় তথ্য স্থান চৌরাঙ্গী এলাকা, শরীয়তপুর সময় সোমবার সন্ধ্যা জড়িত সংগঠন…
নিজের পদত্যাগের খবরকে সম্পূর্ণ গুজব হিসেবে উড়িয়ে দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী (অব.)। সোমবার (২২ ডিসেম্বর)…
ময়মনসিংহের ভালুকায় একটি তৈরি পোশাক কারখানায় কর্মরত হিন্দু যুবক দিপু চন্দ্র দাস হত্যাকাণ্ডকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে নিয়ে কটূক্তির অভিযোগে তাকে গণপিটুনিতে হত্যার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। নিহত দিপু চন্দ্র দাস তারাকান্দা উপজেলার বানিহালা ইউনিয়নের মোকামিয়াকান্দা গ্রামের বাসিন্দা এবং রবি চন্দ্র দাসের ছেলে। তিনি ভালুকার হবিরবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া ডুবালিয়াপাড়া এলাকায় অবস্থিত বাদশাহ গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান পাইওনিয়ার নিটওয়্যারস (বিডি) লিমিটেড-এ জুনিয়র কোয়ালিটি ইন্সপেক্টর হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঘটনার সূত্রপাত যেভাবে : ১৮ ডিসেম্বর বিকেলে কারখানার ম্যান্ডিং সেকশনে কয়েকজন শ্রমিকের মধ্যে ধর্মীয় প্রসঙ্গ নিয়ে কথোপকথনের সময় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। ওই কথোপকথনের একটি অডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি দ্রুত বিকৃত আকার ধারণ করে। দিপুর পরিবার ও স্বজনদের দাবি, তিনি ধর্ম অবমাননাকর কোনো মন্তব্য করতে পারেন না এবং তাকে পরিকল্পিতভাবে ফাঁসানো হয়েছে। কারখানা কর্তৃপক্ষ জানায়, ঘটনার পরপরই দিপুকে নিরাপত্তার স্বার্থে অফিস কক্ষে নেওয়া হয় এবং তাকে চাকরি থেকে অব্যাহতির ঘোষণা দিয়েও পরিস্থিতি শান্ত করা যায়নি। ফেসবুক পোস্ট ও গুজবের কারণে কারখানার বাইরে বিপুল সংখ্যক মানুষ জড়ো হন। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং ভয়াবহ সহিংসতার মাধ্যমে দিপু চন্দ্র দাস নিহত হন। আইনগত অগ্রগতি : এ ঘটনায় নিহতের ভাই বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ১৫০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি বর্তমানে ডিবি পুলিশ তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং আদালত প্রত্যেকের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। পরিবার ও কর্তৃপক্ষের বক্তব্য : দিপুর বাবা রবি চন্দ্র দাস বলেন, “আমার ছেলে কোনো ধর্ম অবমাননার কাজ করতে পারে না। আমি সঠিক তদন্ত ও ন্যায়বিচার চাই।”দিপুর স্ত্রী মেঘলা রাণী দাস বলেন, “আমার স্বামী ছিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। আমাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।” বাদশাহ গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. বাদশাহ মিয়া জানান, তিনি এই হত্যাকাণ্ডের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান এবং কোম্পানির পক্ষ থেকে নিহতের পরিবারকে সহায়তা দেওয়া হবে। পুলিশ প্রশাসন আশ্বস্ত করেছে, প্রকৃত অপরাধীদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না এবং নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার হবে না। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এক নজরে :…
বলিউডের জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়ক কুমার শানু ও তার প্রাক্তন স্ত্রী রীতা ভট্টাচার্যের মধ্যকার বিরোধ এবার আদালতের মাধ্যমে প্রকাশ পাচ্ছে। সম্প্রতি…
মাদারীপুরে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক নৌ-পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের বাড়িসহ তার ভাইদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার আশঙ্কায় মহড়া এবং…
বাড্ডা থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ওয়াসিকুর রহমান বাবু কারা হেফাজতে মারা গেছেন। রোববার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন সহকারী কারা মহাপরিদর্শক…
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রধান সন্দেহভাজন ফয়সাল করিম মাসুদ এবং তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব…
কুড়িগ্রামের সীমান্ত এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মাদক ও চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে। অভিযানে একজন চোরাকারবারীকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৫ লাখ টাকা। সোমবার (২২ ডিসেম্বর) দুপুরে কুড়িগ্রাম ব্যাটালিয়ন (২২ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মাহবুব-উল-হক পিএসসি এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “সীমান্ত এলাকায় আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সকল প্রকার অবৈধ কার্যকলাপ প্রতিরোধে আমাদের সদস্যরা দিনরাত সতর্ক রয়েছে। এই অভিযান সেই প্রচেষ্টার অংশ। আমাদের লক্ষ্য জিরো টলারেন্স নীতি কার্যকর করা।” বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, গত ৭২ ঘণ্টায় পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ইয়াবা, গাঁজা, মদ, গবাদিপশু, ভারতীয় রুপি এবং বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় চোরাচালানি পণ্য জব্দ করা হয়েছে। অভিযানে ধৃত চোরাকারবারী জানিয়েছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকা দিয়ে এসব অবৈধ পণ্য পরিবহন করছিলেন। তবে বিজিবি তার কাছ থেকে অধিক তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি অন্যান্য সম্ভাব্য চক্রের সনাক্তকরণে কাজ করছে। ২২ বিজিবি জানিয়েছে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ সদর দপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী সীমান্তে মাদক, জালনোট ও চোরাচালান প্রতিরোধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে। লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাহবুব-উল-হক পিএসসি বলেন, “আমরা সীমান্তে স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি নিয়মিত টহল পরিচালনা করছি। মাদক, চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সতর্কতা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব দেখানো হচ্ছে।” স্থানীয়রা জানাচ্ছেন, বিজিবির এই অভিযান এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। বেশিরভাগ মানুষ স্বচ্ছতার সঙ্গে এই ধরনের অভিযান চালানোর জন্য বিজিবিকে প্রশংসা করেছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সীমান্তবর্তী কমিউনিটি আশা করছেন, নিয়মিত অভিযান এবং কঠোর নজরদারি তাদের জীবন ও ব্যবসা নিরাপদ রাখতে সাহায্য করবে। নিচে জব্দকৃত পণ্যের সংক্ষিপ্ত বিবরণ টেবিলে দেওয়া হলো: ধরন পরিমাণ/বিবরণ আনুমানিক বাজারমূল্য ইয়াবা অজানা পরিমাণ কয়েক লাখ টাকা গাঁজা বিভিন্ন মোড়ক কয়েক লাখ টাকা মদ বিভিন্ন ব্র্যান্ড…