চলমান অ্যাশেজ সিরিজে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্যেই অ্যাডিলেড টেস্টের আগে একাদশে পরিবর্তন এনেছে ইংল্যান্ড। সিরিজের প্রথম দুই টেস্টে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর…
নভেম্বর মাসের আইসিসি মাসসেরা পুরুষ ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার অভিজ্ঞ অফ স্পিনার সাইমন হারমার। বাংলাদেশের বাঁহাতি স্পিনার তাইজুল ইসলাম…
চট্টগ্রাম নগরীতে আবারও যাত্রীবেশে ছিনতাইয়ের ঘটনা জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে।গভীর রাতে অল্প সময়ের যাত্রাই যে এমন ভয়ংকর অভিজ্ঞতায় রূপ নিতে পারে, তা যেন টের পেয়েছেন মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট আনিছুল ইসলাম। শনিবার (১৩ ডিসেম্বর) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০টায় চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকায় এ নাটকীয় ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। প্রতিদিনের মতো সেদিনও চান্দগাঁও থানার বহদ্দারহাট বাস টার্মিনাল এলাকার নিজ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার উদ্দেশ্যে রওনা দেন আনিছুল ইসলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, ব্যস্ত সময় হওয়ায় কোনো যাত্রীবাহী সিটি বাসে উঠতে পারেননি তিনি। ঠিক তখনই একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা চান্দগাঁও সিঅ্যান্ডবি মোড় যাবে বলে যাত্রী ডাকতে থাকে। অটোরিকশাটিতে আগে থেকেই তিনজন যাত্রী ছিলেন—চালকের পাশে একজন এবং পেছনের আসনে দুজন। স্বাভাবিক যাত্রী ভেবেই আনিছুল ইসলাম পেছনের আসনে ওঠেন। কে জানত, এই সহযাত্রীরাই তাঁর সর্বস্ব নিয়ে পালাবে! অটোরিকশাটি বহদ্দারহাট মোড় থেকে বাস টার্মিনাল সংলগ্ন জিয়া কমপ্লেক্স এলাকায় পৌঁছালে হঠাৎ এক যাত্রী অসুস্থতার ভান করে বলেন, তাঁর বমি আসছে। এ কথা শুনে চালক অটোরিকশাটি একটি তুলনামূলক নির্জন স্থানে থামান। পরিস্থিতি স্বাভাবিক মনে হওয়ায় আনিছুল ইসলামসহ আরেক যাত্রী গাড়ি থেকে নামেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটে ছিনতাই। যাত্রীবেশে থাকা ছিনতাইকারীরা আনিছুল ইসলামের হাতে থাকা ব্যাগটি কেড়ে নিয়ে মুহূর্তের মধ্যেই অটোরিকশাটি নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। ব্যাগে থাকা ছিল তাঁর ব্যবসার গুরুত্বপূর্ণ নগদ অর্থ—মোট ১০ লাখ টাকা। ঘটনার পরদিন রোববার (১৪ ডিসেম্বর) দুপুরে চান্দগাঁও থানায় একটি মামলা দায়ের করা হলে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। স্থানীয়দের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। চান্দগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুল কবির জানান, “ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ছিনতাইয়ের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।” ঘটনার সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র বিষয় বিবরণ ভুক্তভোগী আনিছুল ইসলাম পেশা মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের এজেন্ট ঘটনা সময় শনিবার, ১৩ ডিসেম্বর, রাত সাড়ে ১০টা স্থান…
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযানে ১৬ কেজি গাঁজাসহ এক দম্পতিকে গ্রেপ্তার করেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর (ডিএনসি)। রবিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজেলার গুপ্তরগাতী গ্রামে এই অভিযান পরিচালিত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এ অভিযানে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন গুপ্তরগাতী গ্রামের বাসিন্দা বোরহান শেখ (৪১) এবং তার স্ত্রী জামিলা বেগম (৩৪)। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, দীর্ঘদিন ধরেই এই দম্পতি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছিল। তবে উপযুক্ত প্রমাণের অভাবে এতদিন তারা আইনের আওতার বাইরে ছিল। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর গোপালগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ নবী নেওয়াজ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, “বিশ্বস্ত গোপন সূত্রে আমরা জানতে পারি যে মুকসুদপুর উপজেলার গুপ্তরগাতী গ্রামে বিপুল পরিমাণ গাঁজা কেনাবেচার প্রস্তুতি চলছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে একটি বিশেষ দল গঠন করে সেখানে অভিযান পরিচালনা করা হয়।” তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় বোরহান শেখের বসতবাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ১৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত মাদকদ্রব্য জব্দ করার পর ঘটনাস্থল থেকেই স্বামী-স্ত্রীকে আটক করা হয়। ডিএনসির পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃতরা মাদক সংরক্ষণ ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে। উদ্ধারকৃত গাঁজা স্থানীয় বাজারে বিক্রি করা হলে এর আর্থিক মূল্য উল্লেখযোগ্য পরিমাণ হতো বলে ধারণা করা হচ্ছে। অভিযান শেষে জব্দকৃত গাঁজা এবং গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের মুকসুদপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, মাদক নির্মূলে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে কাজ করছে সরকার। ঘটনার সংক্ষিপ্ত তথ্য (টেবিল) বিষয় তথ্য জেলা গোপালগঞ্জ উপজেলা মুকসুদপুর গ্রাম…
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার মামলায় যমুনা অয়েল কোম্পানির লেবার ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ এয়াকুবকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে…
আজ রোববার, সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে দেশের মুদ্রাবাজারে লেনদেন শুরু হয়েছে। গত কয়েকদিনের স্থিতিশীলতার পর আজ ডলারের দাম সামান্য কমে ১২২…
গায়ে বড় অক্ষরে লেখা ‘অরিজিনাল’। রঙ, গন্ধ, মোড়ক—সবকিছুতেই নামকরা ব্র্যান্ড ডেটলের সঙ্গে হুবহু মিল। কিন্তু বাহ্যিক চাকচিক্যের আড়ালে লুকিয়ে ছিল ভয়ংকর প্রতারণা। মানহীন ও ক্ষতিকর রাসায়নিক দিয়ে তৈরি নকল সাবান দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রামের বিভিন্ন বাজারে সরবরাহ করে আসছিল একটি সংঘবদ্ধ চক্র। নীরবে চলা এই কারখানাটি শুধু ভোক্তাদের সঙ্গে প্রতারণাই করেনি, বরং জনস্বাস্থ্যের জন্য তৈরি করেছিল মারাত্মক ঝুঁকি। চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানাধীন মজ্জারটেক শিকলবাহা এলাকায় এমনই একটি গোপন নকল সাবান তৈরির কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। রোববার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে র্যাব-৭, চট্টগ্রাম, র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)-এর প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। র্যাব-৭ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী শিকলবাহা এলাকায় অবৈধভাবে নকল সাবান উৎপাদন ও বাজারজাত করছে। ওই তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে শিকলবাহা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে, জাহাঙ্গীর চেয়ারম্যানের বাড়ির পাশের একটি স্থাপনায় কারখানাটির সন্ধান পাওয়া যায়। বাইরে থেকে এটি অটোরিকশা গ্যারেজ বলে মনে হলেও ভেতরে ঢুকে দেখা যায় আধুনিক ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতির মাধ্যমে নকল সাবান তৈরির পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থা। অভিযানকালে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও দেশীয় ব্র্যান্ডের আদলে তৈরি বিপুল পরিমাণ নকল সাবান, কাঁচামাল, ছাঁচ, মোড়ক ও উৎপাদন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। অবৈধ কারখানাটি তাৎক্ষণিকভাবে সিলগালা করা হয় এবং উদ্ধারকৃত সব মালামাল জব্দ করা হয়। বিএসটিআইয়ের পরিদর্শক আব্দুর রহিম জানান, কারখানাটি ‘সলিড করপোরেশন’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের ইউনিয়ন পরিষদ প্রদত্ত ট্রেড লাইসেন্স ব্যবহার করে পরিচালিত হচ্ছিল। লাইসেন্সে সাধারণ সলিড সাবান উৎপাদনের অনুমোদন থাকলেও বাস্তবে এখানে ডেটল এবং আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড ‘লিফোর্ড’-এর নামে নকল সাবান তৈরি করা হচ্ছিল, যা সম্পূর্ণ বেআইনি। কারখানাটির কোনো বিএসটিআই অনুমোদন বা মান নিয়ন্ত্রণ সনদ ছিল না। ব্যবহৃত কাঁচামাল ছিল নিম্নমানের এবং এতে ক্ষতিকর রাসায়নিক ব্যবহারের আশঙ্কা রয়েছে, যা ত্বকের এলার্জি, চুলকানি, র্যাশ ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। বিশেষ করে শিশু ও সংবেদনশীল ত্বকের মানুষের জন্য এসব সাবান অত্যন্ত বিপজ্জনক। র্যাব-৭, চট্টগ্রামের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. হাফিজুর রহমান বলেন, “এটি একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র। তারা নামকরা ব্র্যান্ডের সুনাম ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছিল। এটি শুধু অর্থনৈতিক অপরাধ নয়, জনস্বাস্থ্যের বিরুদ্ধেও গুরুতর অপরাধ। ভোক্তাদের সুরক্ষায় এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।” অভিযানকালে কারখানায় কর্মরত দুজন শ্রমিককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্য যাচাই করে চক্রটির মূল হোতাদের শনাক্তে কাজ চলছে। এদিকে এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই ওই স্থাপনায় রাতের বেলায় অস্বাভাবিক তৎপরতা লক্ষ্য করা যেত। স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল উদ্দিন বলেন, “আমরা ভেবেছিলাম এটা অটোরিকশা গ্যারেজ। গভীর রাতে কাজ চললেও সন্দেহ করিনি যে এখানে নকল সাবান তৈরি হচ্ছে।” ভোক্তাদের অভিযোগ, বাজারে এসব নকল সাবান ব্যবহারের ফলে অনেকেই ত্বকের সমস্যায় ভুগছেন। নকল ও আসল পণ্যের পার্থক্য সহজে বোঝা না যাওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত প্রতারণার শিকার হচ্ছে। তাই নকল পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকারীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন সচেতন ভোক্তারা। অভিযানের সংক্ষিপ্ত তথ্য (টেবিল) বিষয় তথ্য অভিযান পরিচালনাকারী সংস্থা…
অস্ট্রেলিয়ার সিডনির বিখ্যাত বন্ডি সমুদ্র সৈকতে ভয়াবহ বন্দুক হামলায় কমপক্ষে ১০ জন প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন হামলাকারীও রয়েছেন। পুলিশের…
ঢাকার ঘরোয়া ক্রিকেটে অস্থিরতা নতুন মাত্রা পেয়েছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের পর ঢাকার শীর্ষ ক্লাবগুলো ঘরোয়া লিগ বর্জনের সিদ্ধান্ত নেন। নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগ তুলে ক্লাবগুলো মাঠে অংশ নিতে অনীহা প্রকাশ করায় প্রথম বিভাগ লিগের সূচনায় দেরি হয়েছে। আজ ১২ দলের অংশগ্রহণে টুর্নামেন্ট শুরু হলেও, চারটি ম্যাচের মধ্যে মাত্র একটি ম্যাচ মাঠে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর পেছনে ক্লাব ও খেলোয়াড়দের অসন্তোষ এবং বিসিবির সঙ্গে দ্বন্দ্বই মূল কারণ। গতকাল বিসিবি সদর দফতরে অনুষ্ঠিত এক অনুষ্ঠানে আবারও উত্তেজনা দেখা দেয়। ট্রফি উন্মোচনের অনুষ্ঠানে অংশ নিতে গিয়েও, লিগ বর্জন করা দলের ক্রিকেটাররা মানববন্ধন করেন। তাদের প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল: প্ল্যাকার্ড লেখা বক্তব্যের সারমর্ম ঢাকা লিগ বন্ধ কেন ঘরোয়া ক্রিকেট বন্ধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সবাই মাঠে খেলতে চাই ক্রিকেটারদের মাঠে খেলার অধিকার নিশ্চিত করার দাবি ৮৮০ জন ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার কই বিপর্যস্ত ক্রিকেটারদের ভবিষ্যতের প্রতি উদ্বেগ প্রকাশ মানববন্ধন করা খেলোয়াড়রা বিসিবির গেটের বাইরে দীর্ঘ সময় অবস্থান নেন। পরে বিসিবির তিন শীর্ষ কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনাও হয়। এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডার হলেন ক্রিকেটাররা। কিন্তু অনেক খেলোয়াড়কে মাঠের ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। বিভিন্ন ডিভিশনের ক্রিকেটাররা তাদের দাবিসহ বিসিবিতে গিয়েছিলেন, যা তাদের অধিকার এবং যৌক্তিক। অথচ গেটের বাইরে আটকে রাখা হয়েছে।” তামিম আরও যোগ করেন, “পরবর্তীতে একটি প্রতিনিধিদলকে ভেতরে নেওয়া হয়েছে, কিন্তু অন্যান্য ক্রিকেটারদের সঙ্গে যে আচরণ করা হয়েছে, তা দুঃখজনক। একজন ক্রিকেটার হিসেবে আমি এর প্রতিবাদ জানাচ্ছি।” ক্রিকেট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ঘরোয়া লিগের অচলাবস্থা কেবল ম্যাচের সংখ্যা কমাতে নয়, বরং বাংলাদেশের যুব ও অভিজ্ঞ ক্রিকেটারদের ক্যারিয়ারের জন্যও হুমকি। যদি বিসিবি দ্রুত সমাধান না করে, তাহলে বাংলাদেশি ক্রিকেটের ঘরোয়া ভিত্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। প্রথম বিভাগ লিগ ২০২৫ – বর্তমানে অবস্থা সংক্ষেপে: বিষয় বিস্তারিত অংশগ্রহণকারী দল…
লুণ্ঠিত অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া পর্যন্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের স্থগিতাদেশ চেয়ে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে আগামী সাত দিনের…