খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ১০ আগস্ট ২০২৫
কুষ্টিয়া শহরে উর্মি খাতুন (৩৫) নামে এক গৃহবধূকে মারপিট ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী রানার বিরুদ্ধে। শনিবার (৯ আগস্ট) রাতে পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনার পর থেকে স্বামী রানা পলাতক।
শনিবার সকালে কুষ্টিয়া শহরের হাউজিং এফ ব্লক এলাকার ভাড়া বাসায় এই ঘটনা ঘটে। তবে বিষয়টি রাতে জানাজানি হয়। নিহত উর্মি খাতুন কুষ্টিয়া সদর উপজেলার জিয়ারখী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের মহিম মন্ডলের মেয়ে। পাঁচ বছর আগে কুষ্টিয়ার মিরপুর উপজেলার পোড়াদহ এলাকার রানা খানের সঙ্গে তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। তারা দুজন মিলে কাপড়ের ও খাবারের দোকান চালাতেন।
উর্মির ভাই আবু সাইদ জানান, রানা মাদকাসক্ত এবং বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকত। তিনি অভিযোগ করেন যে মারপিট ও শ্বাসরোধ করে তার বোনকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি খুনি রানার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে হত্যাকাণ্ড বলে ধারণা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, স্বামী রানার বিরুদ্ধে উর্মিকে মারপিট ও শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে এবং তাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে।
খবরওয়ালা/টিএসএন