খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
গ্রুপ পর্বে ধারাবাহিক তিন জয় তুলে সেমিফাইনালে ওঠা বাংলাদেশ আজ যেন একেবারেই অচেনা। অধিনায়ক আজিজুল হাকিম তামিমের নেতৃত্বে দলটি পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত ও সুশৃঙ্খল বোলিংয়ের বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে রীতিমতো ভেঙে পড়ে। বলের লাইন ও দৈর্ঘ্য ঠিকভাবে বোঝা না গেলে এবং বড় শট খেলতে গিয়ে দলটি দ্রুত উইকেট হারায়।
বাংলাদেশ সময় সকাল ১১টায় দুবাইয়ের দ্য সেভেন্স স্টেডিয়ামে খেলা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সকাল সাতটায় বৃষ্টির কারণে ম্যাচের সূচি পিছিয়ে যায়। অবশেষে বিকেল ৩টায় ২৭ ওভারের সংক্ষিপ্ত সংস্করণে ম্যাচ শুরু হয়। টস হেরে আগে ব্যাটিং করা বাংলাদেশ নির্ধারিত ওভার শেষ করতে না পারেই ১২১ রানে গুটিয়ে যায়।
পাকিস্তানের ধারাবাহিক ও নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ৫.১ ওভারে দুই উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ২৪ রানে পৌঁছায়। ওপেনাররা দ্রুত ফিরে যান। রিফাত বেগ ১৬ বলে একটি করে চার ও ছক্কায় ১৪ রান করেন। তার ওপেনিং সঙ্গী জাওয়াদ আবরার যোগ করেন ৯ রান। দ্রুত দুই উইকেট হারানোর পর অধিনায়ক তামিম ও কালাম সিদ্দিকী প্রতিরোধ গড়ার চেষ্টা করেন। তারা ৪৩ বলে ৩১ রানের জুটি গড়ে, যা ভাঙেন আব্দুল সুবহান ১৩তম ওভারের প্রথম বলে। তামিম ২৬ বলে একটি চার ও একটি ছক্কা হাঁকিয়ে ২০ রান করেন।
তামিমের বিদায়ের পর বাংলাদেশ নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে। বড় শট খেলতে গিয়ে আবরার ও শেখ পারভেজ জীবন আকাশে তুলে দেন বল, যা পাকিস্তানি ফিল্ডাররা সহজে ক্যাচে পরিণত করেন। ২৬.৩ ওভারে ১২১ রানে গুটিয়ে যায় দল। ইনিংসের সর্বোচ্চ রান আসে সামিউন বশির রাতুলের ব্যাট থেকে, ৩৭ বল খেলে ৩৩ রান, একটি চার ও একটি ছক্কা সহ।
পাকিস্তানের সুবহান ৬ ওভারে ২০ রানে ৪ উইকেট নেন, একটি মেডেনসহ। হুজাইফা ২ উইকেট নেন, এবং মোহাম্মদ সায়েম, আহমেদ হুসেইন ও আলী রাজা একটি করে উইকেট নেন। ২৭তম ওভারের তৃতীয় বলে রাতুল রান-আউট হওয়ায় বাংলাদেশে ইনিংস শেষ হয়। এই ম্যাচে বাংলাদেশের এলোমেলো ব্যাটিং এবং অপরিকল্পিত শট নির্বাচনের কারণে তারা সেমিফাইনালে বড় ধাক্কা খায় এবং পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে অসহায় অবস্থায় পড়ে।