খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৯ আগস্ট ২০২৫
জাতীয় ক্যানসার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের (এনআইসিআরএইচ) সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফার বিরুদ্ধে স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদে বসার জন্য এক সমন্বয়ককে ২০০ কোটি টাকার চেক দেওয়ার অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ার কথা জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এই অভিযোগের প্রমাণে বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) সকালে দুদক একটি এনফোর্সমেন্ট অভিযান পরিচালনা করে।
রাতে দুদকের সহকারী পরিচালক তানজির আহমেদ জানান, বিভিন্ন দপ্তর থেকে অভিযোগ সংক্রান্ত নথিপত্র সংগ্রহ করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, এনআইসিআরএইচ-এর সাবেক পরিচালকের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হওয়ার জন্য ঘুষ প্রদানের অভিযোগের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযানের সময় সংগৃহীত নথিপত্র বিশ্লেষণ করে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে এবং আরও নথিপত্র সংগ্রহের কাজ চলছে। সব তথ্য-উপাত্ত যাচাই শেষে পরবর্তী পদক্ষেপের জন্য বিস্তারিত প্রতিবেদন কমিশনে জমা দেওয়া হবে বলে তিনি জানান।
এর আগে গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে বলা হয়, স্বাস্থ্য উপদেষ্টার পদ পাওয়ার আশায় অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা একজন সমন্বয়ককে ১০ লাখ টাকা নগদ এবং ২০০ কোটি টাকার চারটি চেক দিয়েছেন।
২৭ আগস্ট একটি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের জানুয়ারিতে এই ঘটনা ঘটেছে। প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই লেনদেনে আরিফুল ইসলাম নামে একজন মধ্যস্থতাকারী হিসেবে জড়িত ছিলেন, যিনি নিজেকে সমন্বয়ক আরেফিনের ভাই হিসেবে পরিচয় দেন।
এ বিষয়ে অধ্যাপক ডা. শেখ গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘তারা আমাকে জোর করে উপদেষ্টা বানাতে চায় এবং মিথ্যা প্রলোভনে ও জোর করে চেকে স্বাক্ষর নেয়। তারা সেদিন আমার অফিসে এসেছিল, সম্ভবত তাদের দুজনের হাতে অস্ত্র ছিল।’
খবরওয়ালা/টিএসএন