খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

নিজ সংবাদ ॥ গত ৩১ জানুয়াারিতে শুরু হয় কুষ্টিয়া জাতীয় পিঠা উৎসব। তিনদিনের এই উৎসবে যাকজমক পূর্ণ ভাবে অনুষ্ঠিত হলেও শেষ দিনে পুরস্কার বিতরণ নিয়ে শুরু হয়েছে নানান আলোচনা- সমালোচনা। কুষ্টিয়া শিল্পকলার কালচারাল অফিসার সুজন রহমানের মা, স্ত্রী ও স্বজনরা সেরা পিঠাশিল্পী ও স্টলের পুরস্কার পায়। পিঠা উৎসব হলেও পুরস্কারের ক্যাটাগরিতে ছিল কিচেন হাউজ, কেক হাউস ও হস্তশিল্প। স্বজন প্রীতির মাধ্যমে কালচারাল অফিসার তার মা ও স্ত্রী স্বজনদের মাধ্যমে সম্মাননা পুরস্কার নিয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তথ্যসূত্রে জানা যায় , দেশব্যাপী জাতীয়ভাবে এই পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। কুষ্টিয়া জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাধারণ সম্পাদকের অনুপস্থিতিতেই আয়োজন করে। প্রতিদিন সন্ধ্যায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের কথা থাকলেও শিল্পকলা একাডেমীর কোন শিল্পীকে দিয়ে সেখানে গান গাওয়াতে দেখা যায় না। এই মেলার জন্য সরকারিভাবেই বাজেট করা হয় লক্ষ টাকা। কিন্তু এই মেলায় স্টল বাবদ নেওয়া হয়েছে ১৫০০ টাকা করে। ৩৯ টি স্টল এর মধ্যে সব থেকে বড় এবং সামনে অবস্থান ছিল কালচারাল অফিসার সুজনের স্ত্রীর প্রথমা হস্তশিল্পর স্টলটি। ৮ ফিট বাই ৮ ফিট প্রতিটা স্টলের মাপ থাকলেও তার স্ত্রীর দোকান ছিল প্রায়ই তিনগুণ। যা নিয়ে মেলার শুরুতেই ফুঁসে ওঠে মেলায় অংশগ্রহণকারীরা। সম্মাননা স্মারক হিসেবে প্রতিটা স্টল মালিকদের কি করে সনদপত্র দেওয়া হয়েছে। যার প্রতিটি প্রিন্টের মূল্য ৩০ টাকা করে জানা গেছে। এদিকে সেরা স্টল ও পিঠা শিল্পীদের ছয়জনের প্রতিটি ক্রেস্টের দাম ৩০০০ টাকা করে কেনা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বয়ং কালচারাল অফিসার সুজন। সেরা স্টলের সাজসজ্জার দিক থেকে প্রথমা হস্তশিল্প ঠিকঠাক থাকলেও বাকি ২ স্টল নিয়ে ব্যাপক সমালে