খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় অস্ত্রসহ প্রবেশের চেষ্টা ও দায়িত্বশীল নিরাপত্তা সদস্যদের সঙ্গে কুরুচিপূর্ণ আচরণের অভিযোগে ঢাকা-১৭ আসনের জামায়াত প্রার্থী স. ম. খালিদুজ্জামানের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন।
সংগঠনটির প্রেসিডেন্ট, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ খান সাইফ, প্রেরিত এক বার্তায় উল্লেখ করেছেন যে, খালিদুজ্জামান ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশের সময় দায়িত্বপ্রাপ্ত নিরাপত্তা সদস্যদের বাধার মুখে অত্যন্ত ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করেছেন এবং সেনা সদস্যদের উদ্দেশ্যে কুরুচিপূর্ণ ও অবমাননাকর মন্তব্য করেছেন।
বার্তায় আরও বলা হয়েছে, “রাজনৈতিক পরিচয় কখনোই কাউকে সংবিধান ও আইনের ঊর্ধ্বে থাকার অধিকার প্রদান করে না। ক্যান্টনমেন্ট কোনো রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারের জায়গা নয়; এটি একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা এলাকা। এমন আচরণ সামরিক বাহিনীর মনোবল, মর্যাদা এবং রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার ওপর সরাসরি আঘাত।”
এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা না চাওয়ার ক্ষেত্রে খালিদুজ্জামানকে ক্যান্টনমেন্টে ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ (PNG) ঘোষণা করার দাবি জানিয়েছে। সংগঠনটি সতর্ক করেছেন যে, রাষ্ট্রের আইন, সামরিক বাহিনীর মর্যাদা এবং জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে তারা কোনো আপস করবে না।
সংঘটনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচের টেবিলে দেওয়া হলো:
| বিষয়বস্তু | বিবরণ |
|---|---|
| প্রার্থী | স. ম. খালিদুজ্জামান |
| আসন | ঢাকা-১৭ |
| অভিযোগ | ক্যান্টনমেন্টে অস্ত্রসহ প্রবেশের চেষ্টা, নিরাপত্তা সদস্যদের সঙ্গে কুরুচিপূর্ণ আচরণ |
| প্রতিক্রিয়া | এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশনের তীব্র প্রতিবাদ ও PNG দাবি |
| সময়সীমা | ২৪ ঘণ্টার মধ্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া না হলে PNG ঘোষণা |
| সংগঠনের প্রধান | লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফুল্লাহ খান সাইফ (অব.) |
লেফটেন্যান্ট কর্নেল সাইফ আরও বলেছেন, “আমরা স্পষ্টভাবে সবাইকে জানাতে চাই যে, ক্যান্টনমেন্টে প্রবেশ বা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো বিষয়ে রাজনৈতিক প্রভাব ব্যবহার করা মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়। এটি সামরিক বাহিনীর মর্যাদা ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন। আমরা আশা করি প্রার্থী দ্রুত প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনা করবেন এবং ভবিষ্যতে এমন ধরনের আচরণ বন্ধের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার করবেন।”
এক্স-ফোর্সেস অ্যাসোসিয়েশন এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে এবং সকল রাজনৈতিক দলের কাছে অনুরোধ করেছে, সংবিধান ও আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয় – বিশেষ করে সংবেদনশীল নিরাপত্তা এলাকা ক্যান্টনমেন্টে।