খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
খবরওয়ালা নিউজ ডেস্ক: ১৯৯৬ সালে গঙ্গার পানি ভাগাভাগি নিয়ে ঢাকা ও দিল্লির চুক্তি হয়। সেই চুক্তির মেয়াদ ছিলো ৩০ বছর্। সে অনুসারে ২০২৬ সালে শেষ হচ্ছে এর সময়কাল।এমন অবস্থায় মার্চে ভারত গিয়ে গঙ্গার পানি চুক্তি নবায়নের আলোচনা করবেন কারিগরি দল।
এ নিয়ে পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান জানান, আগামী বছরের মধ্যে নবায়ন হবে পানিবণ্টনের চুক্তি। সেখানে গুরুত্ব দেওয়া হবে দেশের স্বার্থ।
এদিকে নদী বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাতের দাবি, এই দলের চুক্তি নিয়ে কথা বলার এখতিয়ার নেই। যৌথ নদী ব্যবস্থাপনায় ঢাকা-দিল্লিকে একসঙ্গে কাজ করার ওপর জোর দেন তিনি।
তবে পানিসম্পদ উপদেষ্টা বলেছেন, ‘২০২৬ সালের মধ্যে আমাদের চুক্তি করতেই হবে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখে বাংলাদেশের স্বার্থ আমরা সংরক্ষণ করতে পারি সর্বোচ্চ, সেটা বিবেচনা করেই আমরা চুক্তি করতে চাইব। তবে চুক্তিটা আর আমাদের সময়ে হবে না। এটাতো মোটামুটি স্পষ্ট।’
রিজওয়ানা হাসান জানান, আগামী মাসে ভারত যাচ্ছে কারিগরি দল। নদী বিশেষজ্ঞ আইনুন নিশাত বলছেন, তাদের কেবল গঙ্গার পানি ব্যবস্থানা ও সংরক্ষণের তথ্য-উপাত্ত বিনিময়ের ক্ষমতা রয়েছে। এর বাইরে কোনো এখতিয়ার নেই।
এ নিয়ে উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘ওই চুক্তি স্বাক্ষরের পরে অনেক মতামত এসেছে। ওই চুক্তি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে অনেক মতামত এসেছে। সবগুলোকে বিবেচনায় নিয়ে কারিগরি কমিটি প্রাথমিক পর্যায়ে বসবে। এবং সেই কারিগরি কমিটি বাংলাদেশে কাজ শুরু করেছে। মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহে তাঁরা ভারতে গিয়ে কথাবার্তা বলা শুরু করবে।’
পানি ও নদী বিশেষজ্ঞ ড. আইনুন নিশাত বলেন, ‘এই কাজ কারিগরি কমিটির কাজ নয়। এই কারিগরি কমিটির সদস্য আমি অনেক অনেক বছর ছিলাম। কিন্তু সিদ্ধান্তটা কারিগরি আলোচনার ভিত্তিতে হবে না। তাদের নির্দিষ্ট ম্যান্ডেট আছে, বণ্টনের ব্যাপারে তাদের কথা বলার কোনো অধিকার নেই।’
খবরওয়ালা /এফএস