খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ২০ জুলাই ২০২৫
গোপালগঞ্জের ঘটনা কি ফেব্রুয়ারির ইলেকশন পিছিয়ে দেওয়ার কোনো চক্রান্ত কিনা বলে মন্তব্য করেছেন সিনিয়র সাংবাদিক ও কলামিস্ট আনিস আলমগীর। সম্প্রতি বেসরকারি একটি টেলিভিশনের টক শোতে উপস্থিত হয়ে এই আশঙ্কা করেছেন তিনি।
আনিস আলমগীর বলেন, ‘গোপালগঞ্জে পুলিশ যে তিনটা মামলা করেছে, সেখানে আপনি দেখেন ২৬০০ লোককে আসামি করা হয়েছে। ২৬০০ লোক কি কথার কথা? এরা সব আওয়ামী লীগ করে?’
তিনি বলেন, আপনি যখন বলেন যে বঙ্গবন্ধুর মাজার সেখান থেকে আমরা তুলে ফেলব। বঙ্গবন্ধুর মাজার থাকতে পারবে না, মুজিববাদ থাকতে পারবে না এবং আপনার কর্মসূচির নাম চেঞ্জ করে আপনি মার্চ টু গোপালগঞ্জ দেন; যেখানে আপনি অন্য জায়গায় পদযাত্রা করেন। সব কিছু তো আগেই উত্তপ্ত করা হয়েছে। এমন একটা পরিস্থিতি তৈরি করা হচ্ছে, সেটা পরিকল্পিত। এটা এনসিপি করছে, সরকার করছে নাকি সরকারের ভেতর আরেকটা সরকার করছে—এটা প্রশ্নসাপেক্ষ।কী উদ্দেশ্যে করছে? এটা কি ফেব্রুয়ারি ইলেকশনকে আরো পিছিয়ে দেওয়ার কোনো চক্রান্ত এবং এই চক্রান্তের যদি অংশ হয়ে থাকে, এটা তাহলে তো সেটা ভালোভাবেই করছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন সারা দেশেও একই কথা বলছে, আজকে কক্সবাজার হয়েছে, পরশু আরেক জায়গায় হবে। এই ধরনের বক্তৃতা দিতে থাকবেন আপনারা, উসকানি দিতে থাকবেন—তাহলে তো উসকানির ফলে দেশের পরিস্থিতি খারাপ হবে। পরিস্থিতি খারাপ হলে তখন এনসিপি বলবে যে এই পরিস্থিতিতে আমরা কিভাবে ইলেকশন করব। সরকার তখন তার স্নেহধন্য এই রাজনৈতিক দলকে বাঁচানোর জন্য বলবে যে—ঠিক আছে এই পরিস্থিতিতে আমরা নির্বাচন দিতে পারি না।’
আনিস আলমগীর বলেন, ‘বিএনপি যে বারবার নির্বাচনের জন্য দাবি করছে সেই দাবি কি আরও পিছিয়ে দেবে এবং আমি শিউর যে জামায়াতে ইসলামী এখানে না করবে না। কারণ জামায়াত এরই মধ্যে বলে ফেলছে যে—যদি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো না হয় তাহলে কিসের নির্বাচন।’
খবরওয়ালা/এসআর