খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 4শে বৈশাখ ১৪৩২ | ১৭ই এপ্রিল ২০২৫ | 1149 Dhu al-Hijjah 5
দেশের বাজারে চালের দাম স্বাভাবিক রাখতে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত শুল্কমুক্তভাবে দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আমদানির অনুমতি দেয় বাংলাদেশ সরকার। এই সময়ের মধ্যে ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে প্রায় ১ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টন চাল আমদানি করে। তবে বুধবার (১৬ এপ্রিল) থেকে এ সুযোগ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমদানি বন্ধের অযুহাতে পাইকারিতে চালের দাম কেজিতে ৪ থেকে ৫ টাকা বাড়িয়েছে আমদানিকারকরা।
এদিকে চালের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন পাইকাররা। তাদের দাবি, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কয়েক দিনে রেকর্ড পরিমাণ চাল আমদানি হয়েছে, তার পরও দাম বৃদ্ধি।
হিলি বাজারে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এখন কাটারি চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৮-৬৯ টাকা কেজি দরে, যা গত দুদিন আগে ছিল ৬৪-৬৫ টাকা কেজি। আর স্বর্ণা বিক্রি হচ্ছে ৫২-৫৩ টাকা কেজি, যা কয়েকদিন আগে বিক্রি হয়েছে ৪৮-৪৯ টাকা কেজি।
অটোরিকশাচালক আসলাম হোসেন বলেন, মঙ্গলবার সকালে ৪৮ টাকা কেজিতে চাল কিনি। আজ বৃহস্পতিবার সকালে চাল নিতে এসে শুনছি দাম বেড়েছে। দাম বাড়িয়ে গরিবের পেটে লাথি মারা হচ্ছে।
চাল ব্যবসায়ী সামসুল মিয়া বলেন, আমরা খুচরা ব্যবসা করি। কয়েকদিন ধরে ভারতীয় অনেক চাল বাংলাদেশ আমদানি হয়েছে। এসব চালের বেশিরভাগ খুচরা বাজারে বিক্রি না করে মজুত করা হয়। ফলে চালের সংকট দেখিয়ে দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন বড় বড় ব্যবসায়ীরা। আমরা কম দামে কিনলে কমদামে বিক্রি করি। আর বেশি দামে নিলে বেশি দামে বিক্রি করি।
হিলি বন্দরের চাল আমদানিকারক নুরুল ইসলাম বলেন, চাল আমদানি বন্ধ হওয়ায় দামটা একটু বেড়ে গেছে। তবে আর কয়েকদিন আমদানির সময় বাড়ানো হতো তাহলে দাম স্বাভাবিক থাকতো।
হিলি কাস্টমসের রাজস্ব কর্মকর্তা আতিকুর রহমান জানান, ১৫ এপ্রিল মঙ্গলবার পর্যন্ত হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি স্বাভাবিক ছিল। আমদানিকারকরা যাতে দ্রুত বাজারজাত করতে পারেন সেই লক্ষ্যে আইনি প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত ছাড়করণ করা হয়।
কাস্টমসের তথ্যানুযায়ী, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ১ মার্চ থেকে ১৫ এপ্রিল পর্যন্ত চাল আমদানি হয়েছে ১ লাখ ৮ হাজার ২৭২ টন।
খবরওয়ালা/টিএ