খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 21শে শ্রাবণ ১৪৩২ | ৫ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাতারহাট ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার এক ছাত্রের মাকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই মাদ্রাসার শিক্ষক জুনিয়র মৌলভি হাসনাইন মৃধার (২৫) বিরুদ্ধে।
সোমবার (৪ আগস্ট) সকালে ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
অভিযুক্ত হাসনাইন মৃধা উপজেলার সদর ইউনিয়নের রুকন্দি গ্রামের আব্দুল হামিদ মৃধার ছেলে। অভিযোগকারী নারীর স্বামী জিয়া উদ্দিন বলেন, ওই শিক্ষক শিক্ষকতার পাশাপাশি তাবিজের ব্যবসাও করেন। তিনি দাবি করেন, ‘কুফরি করেই আমার স্ত্রীকে নিয়ে গেছেন তিনি।’
স্থানীয়রা জানান, প্রবাসীর স্ত্রীর টাকা ও স্বর্ণালংকারের লোভে প্রেমের ফাঁদ পাতেন শিক্ষক হাসনাইন মৃধা। এ ঘটনার পর ভুক্তভোগী স্বামী থানায় জিডি করেন এবং আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জিয়া উদ্দিন আরও বলেন, ‘আমার ছেলে জিহাদ পড়ে ষষ্ঠ শ্রেণিতে। তাকে প্রাইভেট পড়ানোর সুযোগে আমার স্ত্রীকে প্রেমের ফাঁদে ফেলেন ওই শিক্ষক। পরে তাদের মধ্যে পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। আমার স্ত্রী কোথায় আছেন জানি না, কেমন আছেন তাও জানি না। দুই সন্তান রেখে চলে গেছেন। বড় ছেলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ে, ছোট ছেলে মাদ্রাসায় পড়ে। আমি থানায় ও আদালতে অভিযোগ দিছি।’
অভিযুক্ত শিক্ষক হাসনাইন মৃধার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তার পরিবারের সদস্যদেরও বাড়িতে না পেয়ে তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস শাকুর বলেন, ‘প্রবাসীর স্ত্রীকে নিয়ে পালানোর বিষয়ে আমাদের কাছে কেউ লিখিত অভিযোগ করেনি। তবে গত ১ জুন হাসনাইন মৃধা স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করে। আমরা তাকে ছাড়পত্র দিয়েছি। এখন তিনি আমাদের মাদ্রাসার কেউ নন।’
এ বিষয়ে মেহেন্দিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) বিল্লাল হোসাইন বলেন, ‘মাদ্রাসা শিক্ষকের সঙ্গে প্রবাসীর স্ত্রী পালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে কোনো অভিযোগ আমাদের কাছে আসেনি। প্রবাসীর বড় ছেলে একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন, যেখানে বলা হয়েছে—তার মা বাড়ি থেকে বের হয়ে গেছেন, এরপর আর ফিরে আসেননি।’
খবরওয়ালা/এসআই