খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
জাপানে আজ রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে ভোট কেন্দ্র খুলে ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং এটি রাত ৮টা পর্যন্ত চলবে। নির্বাচনের ফলাফল গণনা শেষ হতে সারারাত লাগতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এই নির্বাচনে দেশটির সংসদের নিম্নকক্ষের ৪৬৫টি আসন পূরণের জন্য ১,২৮৪ প্রার্থী লড়াই করছেন। সংসদের নিম্নকক্ষে ২৮৯টি আসন একক নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি নির্বাচিত হবে, আর বাকি ১৭৬টি আসন ১১টি আঞ্চলিক ব্লকের মাধ্যমে সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে পূরণ করা হবে।
| আসনের ধরন | সংখ্যা | নির্বাচনের ধরন |
|---|---|---|
| সরাসরি নির্বাচিত | ২৮৯ | একক নির্বাচনী এলাকা |
| সমানুপাতিক প্রতিনিধিত্ব | ১৭৬ | ১১ আঞ্চলিক ব্লক |
| মোট | ৪৬৫ | – |
গত ২৩ জানুয়ারি দেশটির প্রধানমন্ত্রী সানাই তাকাইচি সংসদ ভেঙে দেন এবং একই সঙ্গে আগাম নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করেন। তাকাইচি জাপানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী এবং গত বছরের অক্টোবর মাসে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। তখন তার দল, লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টি (এলডিপি), সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা সামান্য ব্যবধানে রাখলেও তিনি শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের উদ্দেশ্যে ক্ষমতা গ্রহণের সঙ্গে সঙ্গে আগাম নির্বাচন আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেন।
এ নির্বাচনে প্রধান লড়াই হবে ক্ষমতাসীন এলডিপি এবং জাপান ইনোভেশন পার্টি-এর মধ্যে। নির্বাচনের ফলাফলের উপর নির্ভর করবে কোন দল সরকার গঠন করবে এবং প্রধানমন্ত্রী তাকাইচির ভবিষ্যতও স্থির হবে। বিভিন্ন সমীক্ষা অনুযায়ী, এলডিপি বেশিরভাগ আসনে জয়ী হতে পারে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে জাপানের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও সরকারের স্থিতিশীলতা নির্ধারিত হবে। দেশজুড়ে নির্বাচনী প্রচারণা জোরদার এবং ভোটারদের মধ্যে উত্তেজনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। দেশটির সাধারণ জনগণকে উৎসাহিত করতে ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা ও নির্বিঘ্ন ভোটগ্রহণের ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।
এছাড়া ভোটের পর্যবেক্ষণে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক সংস্থা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে। নির্বাচন সংক্রান্ত যে কোনও অভিযোগ বা বিতর্ক দ্রুত সমাধানের জন্য প্রশাসনিক প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছে।