খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৫
রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নের উপায় নিয়ে রাজনৈতিক মতভিন্নতা রেখেই আজ শুক্রবার স্বাক্ষর হচ্ছে জুলাই জাতীয় সনদ। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের ৮৪টি প্রস্তাব নিয়ে এই সনদ তৈরি করা হয়েছে।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা, জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা এবং ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা এই সনদে সই করার কথা রয়েছে।
ইতোমধ্যে জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ না করার ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। গতকাল বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ফেসবুকে এনসিপির মিডিয়া গ্রুপে এ ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
গতকাল সকালে দলটি বলেছে, আইনি ভিত্তি ছাড়া এবং আদেশের ব্যাপারে নিশ্চয়তা ছাড়া জুলাই সনদে স্বাক্ষর করলে সেটা মূল্যহীন হবে। এ কারণে শুক্রবারের জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের অংশীদার হবে না এনসিপি। এ ছাড়া বাম ধারার চারটি দলও জানিয়েছে, তারা সনদে সই করবে না। তবে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী আজ জুলাই সনদে সই করার বিষয়ে ইতিবাচক।
বিকালে ‘জুলাই সনদ’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান হবে। এই সনদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে জুলাই যোদ্ধারা, যারা অনুষ্ঠানস্থল ইতিমধ্যে দখল করে নিয়েছে। তারা বলছে, সনদে তাদের সম্মান বা স্বীকৃতি প্রদান করা হয়নি।
এর পাশাপাশি, এনসিপি ঘোষণা দিয়েছে যে তারা এই স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবে না এবং স্বাক্ষরও দেবে না। চারটি বাম দল এবং বেলেচ এই সনদে স্বাক্ষর করবে না। এছাড়া গণফোরামও জানিয়েছে, তারা স্বাক্ষর করবেন না।
এদের সনদে স্বাক্ষর না করার কারণ ভিন্ন ভিন্ন। এনসিপি বলছে, এটি আইনের ভিত্তিতে হতে হবে। বাম দল এবং গণফোরাম বলছে, ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু ঘোষিত স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি না দিলে তারা সনদে স্বাক্ষর করবে না। এখন প্রশ্ন উঠেছে, জুলাই সনদ নিয়ে আসলে কি হচ্ছে?
খবরওয়ালা/এমএজেড