খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৭ নভেম্বর ২০২৫
শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণার পর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল করেছে। সোমবার (১৭ নভেম্বর) দুপুর ২টা ২০ মিনিটে তারা টুঙ্গিপাড়া শেখ রাসেল শিশু পার্কের সামনে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। প্রায় ২০ মিনিট সড়কে অবস্থান করে তারা রাস্তার ওপর আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পুলিশ আসার আশঙ্কায় তারা পালিয়ে যায়।
আইন–শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, বর্তমানে টুঙ্গিপাড়ার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এ ছাড়া ঢাকা–খুলনা মহাসড়কের গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার পাথালিয়া এলাকায় দোলা পেট্রোল পাম্পের সামনে কয়েকজন ছাত্রলীগ কর্মী বিক্ষোভ করে। পরে তারা মহাসড়কে কাঠ–পাটখড়ি ফেলে আগুন ধরিয়ে দিয়ে পালিয়ে যায়।
এর আগে একই মহাসড়কের ডুমদিয়া এলাকায় ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মী বিক্ষোভ প্রদর্শন করে এবং পাটখড়ি দিয়ে আগুন ধরিয়ে দ্রুত সরে যায়।
এ ছাড়া গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার ৭ মার্চ চত্বরের উল্টো দিকে ফসলের মাঠে কয়েকজন লোক দেশীয় অস্ত্র নিয়ে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখায়। পরে পুলিশ আসার খবর পেয়ে তারা সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
এর আগে সকাল পৌনে ৮টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলার তিলছড়া বাজার এলাকায় ঢাকা–খুলনা মহাসড়কে গাছের গুঁড়ি ফেলে মহাসড়ক অবরোধ করে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বিক্ষোভ করে। এতে মহাসড়কের দুপাশে যানবাহন আটকে যায়।
স্থানীয়রা জানান, ছাত্রলীগের কিছু কর্মী মহাসড়কের পাশে থাকা গাছের গুঁড়ি ফেলে ১–২ মিনিটের মতো সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে বেশ কিছু যানবাহন আটকে পড়ে। পরে খবর পেয়ে কাশিয়ানী থানা–পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তারা পালিয়ে যায়। পুলিশ গাছের গুঁড়ি সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, কয়েকজন লোক রাস্তায় উঠে অবরোধের চেষ্টা করেছিল। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে যায়। তবে তারা অবরোধ কর্মসূচি সফল করতে পারেনি।
শেখ হাসিনার বিচারের রায়কে কেন্দ্র করে গোপালগঞ্জজুড়ে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে আইন–শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং সড়ক–মহাসড়কে টহল জোরদার করা হয়েছে।