খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৫
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসের ২০ তারিখ দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতায় বসেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। ক্ষমতায় বসায় পর নিজের প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে ট্রাম্প বেছে নিয়েছিলেন মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবকে। মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে ১০০ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রির প্রস্তাব তিনি সৌদি সফরে যাওয়ার কথা রয়েছে। তবে নিয়তির খেলা যে ভিন্ন। প্রথম বিদেশ সফর হিসেবে অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে রোমে যেতে হল এই বিশ্ব নেতাকে।
খিস্ট্রান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিসের শেষকৃত্যে যোগ দিতে স্থানীয় সময় শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) রোমে পৌঁছেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই সফরে তার সঙ্গে যোগ দিয়েছেন মার্কিন ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পও।
প্রয়াত পোপের সঙ্গে খুব বেশি ভালো সম্পর্ক ছিল না মার্কিন প্রেসিডেন্টের। পোপ ফ্রান্সিস অভিবাসীদের গণহারে বহিষ্কারের জন্য ট্রাম্পের স্বাক্ষরিত নীতির তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। তা সত্ত্বেও পোপের শেষকৃত্যে যোগ দেওয়ার জন্য রোমে পৌঁছেছেন ট্রাম্প। শনিবার (২৬ এপ্রিল) তিনি ভ্যাটিকানে প্রায় ৫০ জন রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে উপস্থিত থাকবেন। বিশাল এই কূটনৈতিক সমাবেশে ১০ জন রাজাও উপস্থিত থাকবেন।
ট্রাম্প বলেছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে তার। আর সেটি হলে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি হোয়াইট হাউসে উত্তপ্ত বৈঠকের পর প্রথমবারের মতো দুই রাষ্ট্রনেতার সাক্ষাৎ হতে পারে।
যদিও জেলেনস্কি বলেছেন, কিয়েভে রাশিয়ার ভয়াবহ হামলার পর সামরিক বৈঠকের কারণে তিনি পোপের শেষকৃত্যে অংশ নিতে নাও যেতে পারেন।
অন্যদিকে, ট্রাম্পের জন্য রোমে কোনও বৈঠকের ঘোষণা দেওয়া হয়নি। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের বলেন, তিনি ‘কিছু লোকের’ সঙ্গে দেখা করবেন, যার মধ্যে ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও রয়েছেন।
তিনি আরও বলেছেন, ‘সত্যি বলতে, পোপের শেষকৃত্যে থাকাকালীন বৈঠক করা একটু অসম্মানজনক।’
এছাড়া সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও পোপের শেষকৃত্যে যোগ দেবেন। বাইডেন একজন ধর্মপ্রাণ ক্যাথলিক এবং ফ্রান্সিসের ঘনিষ্ঠ ছিলেন। তিনি স্বাধীনভাবে রোমে ভ্রমণ করবেন বলে জানিয়েছে তার কার্যালয়। যদিও সাবেক প্রেসিডেন্টরা সাধারণত শেষকৃত্যের জন্য এয়ার ফোর্স ওয়ানে ভ্রমণ করে থাকেন।
খবরওয়ালা/টিএ