খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 13শে ভাদ্র ১৪৩২ | ২৮ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
শেখ হাফিজুর রহমান কার্জনসহ অন্তত ১১ জনকে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। এর আগে তাদের ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) থেকে শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা, আইনজীবী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুর প্রায় ১২টার দিকে ডিআরইউ প্রাঙ্গণ থেকে পুলিশ তাদের হেফাজতে নেয়।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার (এডিসি) আসাদুজ্জামান জানান, ডিআরইউ থেকে কয়েকজনকে প্রথমে শাহবাগ থানায় আনা হয়েছিল, পরে তাদের ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।
ঘটনার সূত্রপাত হয় ডিআরইউর শফিকুল কবির মিলনায়তনে ‘মঞ্চ ৭১’ আয়োজিত ‘আমাদের মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের সংবিধান’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক থেকে। এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ড. কামাল হোসেনের উপস্থিত থাকার কথা ছিল।
আলোচনায় অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান কার্জন বলেন, “সংবিধান ছুড়ে ফেলার পাঁয়তারা চলছে, যার পেছনে জামায়াত-শিবির ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) জড়িত।” তার বক্তব্য শেষ হওয়ার আগেই একদল যুবক ‘জুলাইয়ের হাতিয়ার, গর্জে উঠুক আরেকবার’ স্লোগান দিতে দিতে মিলনায়তনে প্রবেশ করে এবং আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে। তারা আলোচনায় অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশ এসে তাদের হেফাজতে নেয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ‘জুলাই যোদ্ধা’ ব্যানারে আল আমিন রাসেলের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক লতিফ সিদ্দিকীসহ অন্যদের ঘিরে রাখেন। মুক্তিযোদ্ধা গোলাম মোস্তফা জানান, সব দলের মুক্তিযোদ্ধাদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ২০-২৫ জন যুবক গোলমাল শুরু করে তাদের ঘিরে ফেললেও কারও গায়ে হাত তোলেনি।
রমনা বিভাগের এডিসি আসাদুজ্জামান ঘটনাস্থলে পৌঁছে লতিফ সিদ্দিকীসহ কয়েকজনকে পুলিশ ভ্যানে তুলে নিয়ে যান।
খবরওয়ালা/টিএসএন