খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: 26শে শ্রাবণ ১৪৩২ | ১০ই আগস্ট ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস স্থাপনের অনুমতি বাতিলের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিয়েছেন।
রবিবার (১০ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী’ শীর্ষক ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ আলটিমেটাম দেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাবি শিক্ষার্থী জিয়াউল হক লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।
জিয়াউল হক বলেন, ‘গত স্বৈরাচারের আমলে আমরা দেখেছি—বিভিন্ন এনজিওর ফান্ডিংয়ে স্কুল সিলেবাসে শরীফ-শরীফার গল্প ঢুকিয়ে বাচ্চাদের মগজে ট্রান্সজেন্ডার বা সমকামিতাকে বৈধ করার অপচেষ্টা করা হয়েছিল। জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের ওয়েবসাইটে এলজিবিটিকিউ/সমকামিতাকে কথিত অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া এবং সেটাকে প্রমোট করার এজেন্ডার কথা বলা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিসের কার্যক্রম চলমান থাকলে পুনরায় কোটা প্রথা ফিরে আসবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও চাকরি পরীক্ষায় ট্রান্সজেন্ডার/সমকামি কোটার প্রচলন করা হবে। এমনকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর মসজিদে ‘সমকামি ইমাম’ নামে নতুন কোটারও বন্দোবস্ত করা হবে।’
জিয়াউল হক এই কার্যক্রমকে দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘সমকামিতার মত জঘন্য বিকৃতি ও অপরাধকে বৈধতা দেয়ার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের তাদের আকিদা-বিশ্বাস তথা ইমান হারিয়ে বেঈমান করা হবে। পতিতাবৃত্তির নামে নারী নিপীড়ন ও নারী পাচারকে স্বীকৃতি দেয়া হবে। দেশের ভাবমর্যাদা ক্ষুণ্ন হবে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হবে এবং ধর্ম পালন ও প্রচারের স্বাধীনতা হরণ হবে।’
তিনি আরও জানান, ‘আমরা একাধিকবার সরকারকে জানালেও কর্ণপাত হয়নি। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জাতিসংঘের মানবাধিকার অফিস বাতিল না হলে ঢাবির বিক্ষুদ্ধ শিক্ষার্থীরা দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে সঙ্গে নিয়ে লাগাতার কঠোর কর্মসূচি দেবেন।’
খবরওয়ালা/এসআই