খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: 12শে পৌষ ১৪৩২ | ২৬ই ডিসেম্বর ২০২৫ | 1150 Dhu al-Hijjah 5
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আজ শুক্রবার বিকেল ৪টা ৪২ মিনিটে তার বাবা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেছেন। তিনি কবরের পাশে প্রথমে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান এবং এরপর দীর্ঘমেয়াদি দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তারােক রহমান বেলা তিনটার কিছু আগে গুলশানস্থ নিজের বাসভবন থেকে রওনা হন। লাল-সবুজ রঙের বিশেষভাবে সাজানো গাড়িতে চড়ে তিনি জিয়া উদ্যানের দিকে যাত্রা করেন। গতকাল বৃহস্পতিবারও এই গাড়িতেই তিনি বিমানবন্দর থেকে গণসংবর্ধনার স্থলে যান। আজকের যাত্রাতেও, গাড়ি থমথমে গতিতে এগোনোর সময়, তিনি গাড়ির বাইরে দাঁড়িয়ে সমর্থক ও নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
সকাল থেকেই ঢাকার শেরে বাংলা নগর ও জিয়া উদ্যানের আশপাশে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত হন। কেউ দলীয় পতাকা হাতে তুলে ধরে, কেউ ব্যানার ও পোস্টার নিয়ে উপস্থিত ছিলেন। সমর্থকদের ভিড় এতটাই ঘনিষ্ঠ ছিল যে তারেক রহমানের গাড়িবহরকে ধীর গতিতে চলতে হয়েছে।
জিয়ারত শেষে তারেক রহমান সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। এই কার্যক্রমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের প্রতি শ্রদ্ধা ও স্মৃতিচারণের একটি গুরুত্ববহ বার্তা প্রতিফলিত হয়।
এদিকে, উল্লেখ্য যে, ১৭ বছর পর গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি দেশে ফেরেন। দীর্ঘ সময় বিদেশে থাকার পর তার এই দেশে আগমন রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে ব্যাপক গুরুত্ব বহন করে। সমর্থকরা তার আগমনকে দলের নতুন উজ্জীবিত কর্মকাণ্ডের সূচনা হিসেবে দেখছেন।
নিচের টেবিলটিতে তারেক রহমানের আজকের সফরের সংক্ষিপ্ত সময়সূচি উপস্থাপন করা হলো:
| সময় | কার্যক্রম | স্থান |
|---|---|---|
| ৩:০০ PM | গুলশান থেকে রওনা | তারেক রহমানের বাসভবন |
| ৪:৪২ PM | কবর জিয়ারত ও ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা | জিয়া উদ্যান, শেরে বাংলা নগর |
| ৪:৫০ PM | দোয়া ও মোনাজাত | জিয়া উদ্যান |
| ৫:১৫ PM | সমর্থকদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও হাত নেড়ে শুভেচ্ছা | জিয়া উদ্যান |
| ৫:৩০ PM | জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা | সাভার |
তারেক রহমানের এই পদক্ষেপ রাজনৈতিকভাবে দলের যুবসমাজ ও সমর্থকদের মধ্যে উদ্দীপনা সৃষ্টি করেছে। পাশাপাশি এটি তাঁর বাবার রাজনৈতিক ও সামাজিক উত্তরাধিকারের প্রতি একটি প্রকাশ্য শ্রদ্ধার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।