খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে বার্সেলোনা যেন নতুন করে জন্ম নিচ্ছে। চেলসির বিপক্ষে ৩-০ গোলের লজ্জাজনক পরাজয়ের পর অল্প সময়েই দলে বদলে যাওয়া আক্রমণাত্মক মানসিকতা অবাক করছে সবাইকে। পাঁচবারের ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন দলটি যেন আবারও নিজেদের তীক্ষ্ণতা খুঁজে পেয়েছে। গত চার ম্যাচে প্রথমে গোল হজম করেও পরে দুর্দান্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে জিতছে কাতালান দলটি। আর ফ্রাঙ্কফুর্টের বিপক্ষেও ব্যতিক্রম ঘটল না।
ন্যূ ক্যাম্পে নিজেদের দূর্গে দর্শকদের সামনে শুরুতে পিছিয়ে পড়েই জেগে উঠেছে দলটি। প্রথমার্ধে বল দখল, আক্রমণ, সুযোগ — সবকিছুতেই এগিয়ে থাকা সত্ত্বেও গোল না পাওয়ায় চাপ তৈরি হয়। এর মধ্যেই ২১ মিনিটে পাল্টা আক্রমণে ফ্রাঙ্কফুর্ট গোল করে বসে। বার্সার উচ্চ-রক্ষণভাগের ভুলে থ্রু বল ধরে আন্সগা গোলকিপার জোয়ান গার্সিয়াকে পরাস্ত করেন।
কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধ পাল্টে দিয়েছিল এক বদলি খেলোয়াড়, একজন কিশোর এবং এক ডিফেন্ডারের গল্প। ৫০ মিনিটে মার্কাস র্যাশফোর্ড নেমেই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। বাঁ দিক থেকে তার নিখুঁত ক্রসে জুলস কুন্দের হেডে আসে সমতা। মাত্র তিন মিনিট পরে লামিনে ইয়ামালের ক্রসে আবারও হেডে গোল করেন কুন্দে। তিন মিনিটের ঝড়ে ন্যূ ক্যাম্পে উল্লাস, ফ্রাঙ্কফুর্ট হতবাক।
বার্সেলোনার বল দখল ছিল ৭৬ শতাংশ। লামিনে ইয়ামাল, রাফিনিয়া, র্যাশফোর্ড মিলে ১৯টি শট নেন, যার ৭টি লক্ষ্যে। পাল্টা আক্রমণ ছাড়া ফ্রাঙ্কফুর্টের কোনও পরিকল্পনা দেখা যায়নি। শেষ দিকে বার্সা তৃতীয় গোলের জন্য চাপ বাড়ালেও ম্যাচ শেষ হয় ২-১ এ।
এই জয়ে বার্সা ১০ পয়েন্ট নিয়ে শেষ ষোলোয় যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখল। ২০২২ সালের ন্যূ ক্যাম্পে ফ্রাঙ্কফুর্টের কাছে ২-৩ হারের দংশন আজ কিছুটা হলেও প্রশমিত হলো।