খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যকার সীমান্ত সংঘাত নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে। বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, দুই দেশই সীমান্তবর্তী এলাকায় পাল্টাপাল্টি গোলাবর্ষণে জড়িয়ে পড়েছে। এর জেরে থাইল্যান্ডের অন্তত তিনটি প্রদেশে স্কুল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা আলজাজিরা এ তথ্য জানিয়েছে।
থাইল্যান্ডের শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সুরিন প্রদেশের ফানম ডং রাক জেলার সীমান্তঘেঁষা স্কুলগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি সিসাকেট ও বুড়িরাম প্রদেশেও শিক্ষা কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, কম্বোডিয়ার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের সরিয়ে নিয়েছে এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
সংঘাতের সূত্রপাত বৃহস্পতিবার ভোরে, যখন বিতর্কিত সীমান্ত এলাকায় হঠাৎ করেই দুই দেশের সেনাদের মধ্যে গোলাগুলি শুরু হয়। পরবর্তীতে, কোনো আগাম সতর্কতা ছাড়াই থাইল্যান্ডের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় ব্যাপক রকেট হামলা চালায় কম্বোডিয়ার সেনাবাহিনী। এসব হামলায় একটি হাসপাতালও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
থাইল্যান্ডের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সোমসাক থেপসুথিন জানান, বৃহস্পতিবারের সহিংসতায় ১১ জন বেসামরিক নাগরিক ও একজন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে একজন ৮ বছর বয়সী শিশু রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে থাই সেনাবাহিনী। অন্তত তিনটি এলাকায় কম্বোডিয়ার গোলাবর্ষণে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
কম্বোডিয়ার হামলায় বেসামরিক হতাহতের পর পাল্টা জবাবে থাইল্যান্ড সীমান্তের ওপারে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান দিয়ে হামলা চালায়।
সীমান্তে এ উত্তেজনা দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভূখণ্ডসংক্রান্ত বিরোধকে আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। পরিস্থিতি শান্ত করতে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে মানবাধিকার সংগঠনগুলো।
খবরওয়ালা/শরিফ