খবরওয়ালা আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: বুধবার, ১২ নভেম্বর ২০২৫
দক্ষিণ কোরিয়ায় ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সামরিক আইন ঘোষণার ঘটনায় দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী হোয়াং কিয়ো-আন ও জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনআইএস) সাবেক প্রধান চো তে-ইয়ং-কে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সংবাদসংস্থা ইয়নহ্যাপ জানিয়েছে, বুধবার (১২ নভেম্বর) হোয়াং কিয়ো-আনকে ‘বিদ্রোহে উসকানি’ দেওয়ার অভিযোগে এবং চো তে-ইয়ং-কে ‘গোয়েন্দা আইন লঙ্ঘন ও দায়িত্বে অবহেলার’ অভিযোগে আটক করা হয়।
সামরিক আইন জারির পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী হোয়াং কিয়ো-আন জাতীয় পরিষদের স্পিকারকে গ্রেপ্তারের আহ্বান জানিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছিলেন এবং ‘নির্বাচনী জালিয়াতদের নির্মূলের’ দাবি তুলেছিলেন।
অন্যদিকে, সাবেক গোয়েন্দা প্রধান চো তে-ইয়ং-এর বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি সামরিক আইন ঘোষণার পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতেন, কিন্তু তা জাতীয় পরিষদকে জানাননি।
এদিকে, সামরিক অভ্যুত্থানের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত সাবেক প্রেসিডেন্ট ইউন সুক-ইওল বর্তমানে কারাগারে বিচারাধীন। তার বিরুদ্ধে নতুন করে অভিযোগ আনা হয়েছে যে, তিনি উত্তর কোরিয়ায় গোপনে ড্রোন পাঠিয়ে সংঘাত সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন, যাতে নিজের সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে পারেন।
ইউন ক্ষমতায় থাকাকালে সেনা পাঠিয়ে সংসদ দখলের চেষ্টা করেছিলেন, তবে ব্যর্থ হন। এই ঘটনায় তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে প্রথম কর্মরত অবস্থায় গ্রেপ্তার হওয়া প্রেসিডেন্ট হিসেবে রেকর্ড গড়েন। বর্তমানে তার স্ত্রী কিম কিয়ন-হিও দুর্নীতির মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
সূত্র: আল জাজিরা
খবরওয়ালা/টিএসএন