খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের জন্য মোট ৩৭টি সরকারি বাসা প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান। সোমবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এই তথ্য জানিয়েছেন। তবে নতুন প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন কোথায় হবে, তা এখনও চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হয়নি। আদিলুর রহমান জানান, প্রধানমন্ত্রী যেখানে পছন্দ করবেন, সেখানে তার জন্য বাসভবনের ব্যবস্থা করা হবে।
তিনি আরও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। “ওনারা যেভাবে চান, সেভাবে ব্যবস্থা করা হবে,” বলেন উপদেষ্টা।
উপদেষ্টা জানান, রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায়—মিন্টো রোড, হেয়ার রোড, ধানমণ্ডি ও গুলশান—মোট ৩৭টি সরকারি বাসা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও কয়েকটি বাড়ি তৈরি করার পরিকল্পনাও রয়েছে। শপথ গ্রহণের দিন এসব বাসা কার্যকরভাবে ব্যবহার করা হবে।
| এলাকা | মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীদের জন্য প্রস্তুত বাসা সংখ্যা |
|---|---|
| মিন্টো রোড | 10 |
| হেয়ার রোড | 7 |
| ধানমণ্ডি | 12 |
| গুলশান | 8 |
| মোট | 37 |
উপদেষ্টা আরও বলেন, এই বাসাগুলির কিছুতে এখনও উপদেষ্টা ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা অবস্থান করছেন। তারা সরে গেলে নতুন মন্ত্রীরা সেগুলি গ্রহণ করতে পারবেন।
নির্বাচনের আগে থেকেই নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রীর জন্য বাসভবনের অনুসন্ধান শুরু হয়েছিল। সম্ভাব্য কয়েকটি স্থান নির্বাচিত করা হয়েছিল, যার মধ্যে রয়েছে:
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা
শেরেবাংলানগরের সংসদ ভবন এলাকার স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের বাসভবন
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এলাকার একটি সরকারি ভবন
তবে অন্তর্বর্তী সরকার শেষ পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। ফলে ধারণা করা হয়েছিল, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনা প্রধানমন্ত্রীর নতুন বাসভবন হিসেবে ব্যবহার হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়নি।
আগামীকাল মঙ্গলবার নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তাদের জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক গাড়ি প্রস্তুত রাখতে সরকারি যানবাহন অধিদপ্তরকে নির্দেশনা দিয়েছে।
উপদেষ্টা আদিলুর রহমান বলেন, “গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে দায়িত্ব নেওয়া এই সরকার ১৮ মাস ধরে জনগণের স্বার্থে কাজ করেছে। গত সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পর আমরা দেশকে একটি নতুন গতিতে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেছি। আমাদের কর্মকাণ্ডের জন্য জনগণের কাছে দায়বদ্ধ থাকার চেষ্টা করেছি।”
এই পদক্ষেপগুলি নতুন সরকারের প্রশাসনিক কার্যক্রমকে স্বচ্ছ ও দ্রুতগতিতে এগিয়ে নেওয়ার একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।