খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগে নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত প্রবেশের উপর চারদিনের কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য হচ্ছে নির্বাচনকে প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা।
নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৭.৩০টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল ৪টা পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় কোনো বহিরাগত অবস্থান করতে পারবেন না। শুধুমাত্র নির্বাচনী কার্যক্রমে সরাসরি যুক্ত ব্যক্তি, কমিশনের অনুমোদিত কর্মকর্তারা এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটাররা এই সময়ে নির্বাচনী এলাকায় থাকতে পারবেন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয়-১ শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মো. শহিদুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, ভোটগ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে থেকে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পর পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ কার্যকর থাকবে।
নির্বাচন কমিশন এই বিধিনিষেধ কার্যকর করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করেছে। এতে নির্বাচন প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা এবং ভোটারদের শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার প্রতি জোর দেওয়া হয়েছে।
নিচের টেবিলে নির্বাচনী এলাকায় বহিরাগত অবস্থান সংক্রান্ত সময়সূচি সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:
| বিষয়বস্তু | সময়সীমা |
|---|---|
| বিধিনিষেধ শুরু | ১০ ফেব্রুয়ারি, সকাল ৭.৩০টা |
| বিধিনিষেধ শেষ | ১৩ ফেব্রুয়ারি, বিকেল ৪টা |
| প্রযোজ্য ব্যক্তি | নির্বাচন কার্যক্রমে যুক্ত কর্মকর্তা, কমিশনের অনুমোদিত ব্যক্তি, সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটার |
| প্রযোজ্য এলাকা | সমস্ত নির্বাচনী কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট এলাকার আশেপাশের অঞ্চল |
| লক্ষ্য | নির্বাচন প্রভাবমুক্ত, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করা |
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানানো হয়েছে, বিধিনিষেধের সময় অপ্রয়োজনীয় ও অননুমোদিত ব্যক্তিদের উপস্থিতি রোধ করতে পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে কড়া নজরদারি চালাতে বলা হয়েছে। এ ধরণের পদক্ষেপ ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং নির্বাচনী পরিবেশকে স্বচ্ছ রাখতে সহায়তা করবে।
এবারের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের রাজনৈতিক প্রক্রিয়ার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি ধাপ হিসেবে গণ্য হচ্ছে। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্ত নির্বাচনী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।