খবরওয়ালা ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬
প্রখ্যাত উদীয়মান সঙ্গীতদল নিসর্গ ব্যান্ড তাদের সর্বশেষ মৌলিক সঙ্গীতসংকলন “নীরব ঠিকানা” প্রকাশের ঘোষণা দিয়েছে। এই গানটি প্রেম, বিচ্ছেদ, হৃদয়বেদনা ও অচুপ অনুভূতির সূক্ষ্ম ও গভীর আবেগকে তুলে ধরেছে। ব্যান্ডটির আশা, গানটি সমসাময়িক বাংলা সঙ্গীতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি যোগ করবে এবং শ্রোতাদের মানসিক ও সঙ্গীত অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ করবে।
গানটির প্রধান কণ্ঠ এবং গিটার পারফরম্যান্স করেছেন সাইদুল ইসলাম সাহাগ, যিনি লাইভ শো এবং স্টুডিও রেকর্ডিংয়ে ব্যান্ডের স্বতন্ত্র শৈলী বারবার প্রমাণ করেছেন। গানের কথাসমূহ এবং সুর রচনা করেছেন তাওহিদুল ইসলাম শাকিল, যিনি ব্যান্ডের ড্রামার এবং ব্যবস্থাপক হিসেবে থিম্যাটিক সংহতি এবং আবেগের গভীরতা নিশ্চিত করেছেন।
গানের আয়োজন এবং যন্ত্রসংগীত সমন্বয় করেছেন কীবোর্ডিস্ট এবং কণ্ঠশিল্পী মোঃ সেলিম আহমেদ (এস.কে. সাগর শান), যার দক্ষতা গানটিকে বহুস্তরীয় ও টেক্সচারযুক্ত শোনার অভিজ্ঞতা প্রদান করেছে। সূচনা অংশ ও কোরাসে লিহাত আরা লেমিস হরমোনি কণ্ঠ প্রদান করেছেন, এবং তানজিম আহমেদ দিপু’র গভীর বেস লাইন গানটির আবেগময় পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করেছে।
নির্বাচিত তথ্য ও ব্যান্ডের বর্তমান সদস্যবৃন্দের তালিকা:
| সদস্যের নাম | ভূমিকা / যন্ত্রসংগীত |
|---|---|
| সাইদুল ইসলাম সাহাগ | প্রধান কণ্ঠশিল্পী ও গিটারিস্ট |
| লিহাত আরা লেমিস | কণ্ঠশিল্পী, হরমোনি কণ্ঠ |
| তাওহিদুল ইসলাম শাকিল | ড্রামার, ব্যান্ড ব্যবস্থাপক, গীতিকার ও সুরকার |
| তানজিম আহমেদ দিপু | বেস গিটারিস্ট |
| মোঃ সেলিম আহমেদ (এস.কে. সাগর শান) | কীবোর্ডিস্ট ও কণ্ঠশিল্পী |
নিসর্গ ব্যান্ড ১৬ মে ২০১২ সালে প্রতিষ্ঠিত। তাদের মূল সঙ্গীত এবং স্মরণীয় লাইভ পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তারা ধীরে ধীরে স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছে। দেশ-বিদেশে একনিষ্ঠ শ্রোতাপ্রিয়তা ও সমাদর অর্জন করে তারা সমসাময়িক বাংলা সঙ্গীতের মধ্যে একটি শক্ত অবস্থান নিশ্চিত করেছে।
“নীরব ঠিকানা” কেবল একটি নতুন গান নয়; এটি সমসাময়িক বাংলা সঙ্গীতে একটি নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে যাচ্ছে। প্রাথমিক শ্রোতা প্রতিক্রিয়া অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক, যা নির্দেশ করছে গানটি আগামি মাসগুলিতে সঙ্গীতপ্রেমীদের হৃদয়ে অম্লান ছাপ রেখে যাবে।
গভীর আবেগময় কাহিনী, বহুস্তরীয় যন্ত্রসংগীত এবং সুপরিকল্পিত আয়োজনের সমন্বয়ে, নিসর্গ ব্যান্ড তাদের সৃজনশীল পরিচয় আরও দৃঢ় করছে। “নীরব ঠিকানা” শোনার অভিজ্ঞতা শুধুমাত্র আবেগকে স্পর্শ করবে না, বরং বাংলা সঙ্গীতের নান্দনিকতা এবং বৈচিত্র্যকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দেবে।
গানটি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মসমূহে পাওয়া যাবে, যেখানে অন্তর্ভুক্ত: ব্যান্ডের ইউটিউব চ্যানেল, ফেসবুক পৃষ্ঠা, স্পটিফাই এবং অ্যাপল মিউজিক।