খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫
‘যিনি প্রকৃত অপরাধী, তাঁকেই গ্রেপ্তার করা হবে। যাঁর বিরুদ্ধে সাক্ষ্য–প্রমাণ বেরিয়ে আসবে, যাঁর অপরাধ খুঁজে পাওয়া যাবে, তাঁর বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ক্ষেত্রে কেউ যদি প্রশাসনের লোক থাকে বা প্রশাসনের বাইরেও থাকে—কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।’
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দে আলোচিত নুরাল পাগলার লাশ পোড়ানোর ঘটনায় সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (অতিরিক্ত ডিআইজি) মো. সিদ্দিকুর রহমান।
তিনি আরও আশ্বাস দেন, এ ঘটনায় নিরপরাধ কাউকে হয়রানি বা গণগ্রেপ্তার করা হবে না। জনগণকে সুবিচার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে অতিরিক্ত ডিআইজি বলেন, ‘গণগ্রেপ্তার বলতে যা বোঝায়, ব্যাপারটা সেটা না। আইনকানুন ও সাক্ষ্য–প্রমাণের ভিত্তিতেই আমরা বিচার করব। যারা অপরাধী তারাই আইনের আওতায় আসবে।’
অতিরিক্ত ডিআইজি জানান, একটি সমাবেশ শান্তিপূর্ণ হতে পারে, আবার সেখানে অশান্তিও হতে পারে। তবে সবাই জড়িত থাকে না। সমাবেশে হাজারো মানুষ থাকতে পারে, কিন্তু নাশকতা করে কেবল নির্দিষ্ট কিছু লোক। তাই সবাইকে গ্রেপ্তার করা আইনসম্মত নয়।
এ সময় রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মো. কামরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবু রাসেল ও গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ রাকিবুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।
গত শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কয়েক দফায় নুরাল পাগলার দরবার ও বাড়িতে হামলা চালানো হয়। হামলাকারীরা শরিয়ত পরিপন্থীভাবে দাফনের অভিযোগ তুলে কবর থেকে মরদেহ তুলে এনে পুড়িয়ে দেয়। দরবার ও বাড়ি ভস্মীভূত হয়ে যায়।
এই ঘটনায় ১০–১২ জন পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ৫০ জন আহত হন। ভাঙচুর করা হয় পুলিশের দুটি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার গাড়ি। আহত হয়ে মারা যান রাসেল নামের এক ব্যক্তি।
খবরওয়ালা/এন