খবরওয়ালা অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৫
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত ১৫ সেনা কর্মকর্তাকে সাধারণ কারাগারের পরিবর্তে ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে রাখার সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছেন গুমের শিকার সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) হাসিনুর রহমান।
তিনি বলেছেন, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের সাধারণ কারাগারে রাখা জরুরি।
বুধবার (২২ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সামনে গুমের শিকার ব্যক্তিদের সংগঠন ইউনাইটেড ফর দ্য ভিকটিমস অব এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্সেস (ইউভিইডি)-এর পক্ষ থেকে সাংবাদিকদের সঙ্গে তিনি এ কথা বলেন।
হাসিনুর রহমান বলেন, “স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা সাবজেল সৃষ্টি করেছেন, আমি এর বিপক্ষে। কোনো বৈষম্য চলবে না কারও সঙ্গে। আইজিপি, মন্ত্রী–এমপি এবং অন্য লোকেরা যদি দেশের নিয়মমাফিক কারাগারে থাকতে পারেন, এনাদেরও একই জায়গায় থাকতে হবে। বৈষম্য করে বিচার হয় না।”
তিনি আরও বলেন, “সেনাবাহিনী অপরাধী না। বাহিনীর গুটিকয়েক অসৎ, বিপথগামী সদস্য শেখ হাসিনার প্ররোচণায় এই অপকর্মগুলো করেছেন। আমরা ইনসাফ চাই, কিন্তু ইনসাফের পথ হতে হবে সমান সবার জন্য।”
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ভূমিকার প্রশংসা করে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, “চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম ও আইসিটি সাহসী পদক্ষেপ নিয়েছেন। এতে বহুদিনের সংশয় দূর হয়েছে।”
তবে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, “যদি এই কর্মকর্তাদের ক্যান্টনমেন্টের ভেতরেই রাখা হয়, তাহলে সত্য উদঘাটন হবে না। তদন্তের সময়ও তারা নীরব ছিলেন, এখনো নিশ্চুপই থাকবেন। ক্যান্টনমেন্টে এসি রুমে, কাটা চামুচ–প্লেটে থেকে ন্যায়বিচার হয় না।”
হাসিনুর রহমানের দাবি, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হলে অভিযুক্ত সেনা কর্মকর্তাদের সাধারণ কারাগারে রেখে বিচার প্রক্রিয়া চালাতে হবে, “বৈষম্য চললে ইনসাফ মিলবে না,” বলেন তিনি।
খবরওয়ালা/আশ